২০২৩ বিশ্বকাপের ব্যর্থ মিশন শেষে পাকিস্তান ক্রিকেটে চলছে রদবদল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) নির্বাচক থেকে শুরু করে কোচ-সব জায়গাতেই এখন দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা। তবে সাবেক ক্রিকেটারদের কোচিংয়ের দায়িত্ব দেওয়ার ব্যাপারটি যেন মানতেই পারছেন না জাভেদ মিয়াঁদাদ।
ইংল্যান্ডের কাছে ৯৩ রানে হেরে গত ১১ নভেম্বর শেষ হয়েছে পাকিস্তানের ২০২৩ বিশ্বকাপ অভিযান। এরপর ১৪ ডিসেম্বর পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে বিশ্বকাপ পরবর্তী অভিযান শুরু করবে পাকিস্তান। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ শেষে অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে পাকিস্তান দল উড়ে যাবে নিউজিল্যান্ডে। ১২ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান। সেই দুই সিরিজকে সামনে রেখে পাকিস্তানের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ হাফিজ। মূলত টিম ডিরেক্টর ও প্রধান কোচ দুটো দায়িত্বকে একত্রিত করে হাফিজকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাফিজকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়ার পর গতকাল আরও দুই সাবেক ক্রিকেটারকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে পিসিবি। উমর গুল ও সাঈদ আজমল হয়েছেন ফাস্ট বোলিং কোচ ও স্পিন বোলিং কোচ। হাফিজ, গুল, আজমল দায়িত্ব পাওয়ায় মিয়াঁদাদ হতাশা প্রকাশ করেছেন। মিয়াঁদাদ এখানে বয়সের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন। শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান, হারিস রউফের মতো তারকাদের বয়স ২৩,২৫ ও ৩০ বছর। অন্যদিকে হাফিজ, গুল, আজমলের বয়স ৪৩,৪১ ও ৪৬ বছর। যেখানে শাহিন, হারিস, শাদাবদের সঙ্গে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন হাফিজ। গতকাল করাচিতে সংবাদমাধ্যমে মিয়াঁদাদ বলেন, ‘কোচ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে বয়সের স্পষ্ট ব্যবধান থাকা উচিত। যদি বয়সের ব্যবধান না থাকে, খেলোয়াড়েরা কোচকে সম্মান করবে না।’
বিশ্বকাপের পর তিন সংস্করণ থেকে পাকিস্তানের নেতৃত্ব ছেড়েছেন বাবর আজম। এরপর টেস্টের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছে শান মাসুদকে। আর শাহিন শাহ আফ্রিদির কাঁধে টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব। যেখানে শান মাসুদের নেতৃত্বেই টেস্টে পথচলা শুরু হবে পাকিস্তানের। মাসুদের নেতৃত্বে পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটার সরফরাজ আহমেদ আছেন অস্ট্রেলিয়া সফরে। সরফরাজ খেলেছেন ৫৩ টেস্ট। আর ৩০ টেস্ট খেলেছেন মাসুদ। মিয়াদাদ বলেন, ‘সরফরাজকে শুধুই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে নিলেই হতো না। অভিজ্ঞতার বিবেচনা তার (সরফরাজ) অধিনায়ক হওয়া উচিত ছিল।’