২০২৩ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নাসির হোসেনের গেছে অসাধারণ। ঢাকা ডমিনেটরসের হয়ে ব্যাটে-বলে দ্যুতি ছড়িয়েছেন তিনি। কয়েক মাসের মধ্যে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন নাসির। ২০২৪ বিপিএলের ড্রাফট তালিকা, খেলোয়াড় ধরে রাখার তালিকা—কোথাও নেই এই অলরাউন্ডার।
নাসিরের বিরুদ্ধে কদিন আগে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি টি-টেন লিগের ২০২১ সংস্করণের ম্যাচে দুর্নীতির চেষ্টা করা হয়েছিল, যদিও সেটি সফল হয়নি। নাসিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি ৭৫০ ডলার মূল্যের (বর্তমান বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮০ হাজার টাকা) একটি উপহার পেয়েছেন। কিন্তু কে তাঁকে এই উপহার দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন, তদন্ত কর্মকর্তাকে তার সঠিক উত্তর দিতে পারেননি তিনি। শুধু বিপিএলেই নয়, এ মৌসুমে বাংলাদেশের কোনো ঘরোয়া ক্রিকেটেই নাসিরের দেখা যাবে না বলে জানা গেছে। দুদিন আগে তাঁর বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলছিলেন, ‘যেহেতু আইসিসি অভিযোগ তুলেছে তার বিরুদ্ধে, আমাদের সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ব্যাপারটি আমরা সূক্ষ্মভাবে তদারকি করব।’ আর আজ বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বললেন, ‘বিপিএলেরটা গভর্নিং কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত। তবে আপাতত তার ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা হচ্ছে না।’
বিপিএলের ড্রাফট হচ্ছে আগামী পরশু। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। এক বছরেরও বেশি সময় তিনি বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলছেন না ঠিকই। তবে ২০২৪ বিপিএলের ড্রাফট তালিকায় তাঁকে রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ ‘এ’ ক্যাটাগরিতে। ‘এ’ শ্রেণিতে থাকা খেলোয়াড়ের ভিত্তিমূল্য ৮০ লাখ টাকা।
স্থানীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে এই তালিকায় একমাত্র তিনিই আছেন। নিলামে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের তালিকা ‘এ’ থেকে ‘জি’-এই সাত ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘বি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের তালিকায় আছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, ইমরুল কায়েস ও রনি তালুকদার। তাঁদের ভিত্তিমূল্য ৫০ লাখ টাকা। ‘সি’ থেকে ‘জি’ এর তালিকায় থাকা খেলোয়াড়দের ভিত্তিমূল্য ৩০ লাখ, ২০ লাখ, ১৫ লাখ, ১০ লাখ ও ৫ লাখ টাকা।