হঠাৎ আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে ওমান থেকে দেশে ফেরত পাঠানোর দিন, লেগ স্পিনার গড়ে তুলতে নতুন পরিকল্পনার কথাই শোনালেন খালেদ মাহমুদ সুজন। আগের মেয়াদে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধানের দায়িত্বে থাকা এই সাবেক অধিনায়ক এবারও বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। এখনো পরিচালকদের দায়িত্ব ভাগ না হওয়ায় পুরোনো দায়িত্বই পালন করে যাচ্ছেন সুজন।
জেলা পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৪ ও ১৬ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে গত দুদিন ধরে জেলা ও বিভাগীয় কোচদের নিয়ে সমন্বয় সভা হচ্ছে। আজ চার বিভাগের চার জেলার সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছেন সুজন। দুপুরে সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
ইয়ুথ ক্রিকেট লিগটা (ইউসিএল) এত দিন অনূর্ধ্ব–১৮ পর্যায়ে হতো। তবে এবার অনূর্ধ্ব ১৪ ও ১৬ পর্যায়েও ২–৩ দিনের ম্যাচের আয়োজন করতে চাচ্ছে বিসিবি। এই পরিকল্পনার কথা জানিয়ে খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘অনূর্ধ্ব ১৬ পর্যায়ে তিন দিন এবং অনূর্ধ্ব ১৪ পর্যায়ে দুই দিনের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।’
এর আগে জাতীয় ক্রিকেট লিগ ও বিপিএলে লেগ স্পিনার খেলানোর বাধ্যবাধকতা দিয়েছিল বিসিবি। কিন্তু সেটি সেভাবে কার্যকর হয়নি। অনেক দলই মানেনি সেই নিয়ম। এবার ইউসিএলেও লেগ স্পিনার খেলানো নিয়ে আরও কঠিন নিয়ম করে দেওয়া হচ্ছে। সুজন বলেন, ‘একটা বাধ্যবাধকতা করব আমরা। দরকার পড়লে এসব খেলা সুপার সাব দেব শুধু একটা লেগ স্পিনারের জন্য। যেন একটা লেগস্পিনার খেলাতে বাধ্য হয়। সে (লেগ স্পিনার) ২০ ওভার বল করবে প্রতি ইনিংসে। তা না করলে ওই টিম জিতলেও পয়েন্ট পাবে না।’
বয়সভিত্তিক পর্যায়ে ক্রিকেটের উন্নতির জন্য এসব বিষয় জরুরি মনে করেন সুজন। তিনি বলেন, ‘আমি ডেভেলপমেন্টে এটাই (খেলোয়াড় গড়ে তোলা) বোঝানোর চেষ্টা করি কোচদের। এটাতে দুর্বল, শক্তিশালী কিংবা কে জিতল কে হারল তা নয়, এটার কাজ ক্রিকেটার গড়ে তোলা। সেটি আমি কোচদের আজকেও মনে করিয়েছি।’