নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির দলে নেই মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা। এবারের পিএসএলের শেষ অংশে তাঁদের (মোস্তাফিজ-রানা) খেলার সম্ভাবনা তৈরি হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র পাননি। তবু বাংলাদেশের একজন প্রতিনিধি আছেন পাকিস্তানের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে।
আজ মঙ্গলবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) পিএসএলের কোয়ালিফায়ার ও এলিমিনেটর শেষ অংশের জন্য ১১ সদস্যের ম্যাচ কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেছে। ৯ আম্পায়ারের সঙ্গে আছেন দুই ম্যাচ রেফারি রিচি রিচার্ডসন ও রোশন মাহানামা। বাংলাদেশের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সঙ্গে আছেন আহসান রাজা, অ্যালেক্স হোয়ার্ফ, আসিফ ইয়াকুব, ক্রিস্টোফার গ্যাফানি, ফয়সাল খান আফ্রিদি, নাসির হুসেইন, রশিদ রিয়াজ ও জুলফিকার জান।
করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হয়েছে পেশোয়ার জালমি ও ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। এই ম্যাচে স্যার রিচি রিচার্ডসন ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন। হোয়ার্ফ এবং গ্যাফানি মাঠের আম্পায়ারের দায়িত্বে আছেন। ফয়সাল আফ্রিদি ও জুলফিকার তৃতীয় ও চতুর্থ আম্পায়ারের দায়িত্বে আছেন।
প্রথম এলিমিনেটরে বাংলাদেশের সৈকতের সঙ্গে মাঠের আম্পায়ারের দায়িত্বে থাকছেন পাকিস্তানের আসিফ। রশিদ রিয়াজ থাকছেন তৃতীয় আম্পায়ার এবং নাসির হুসেইন চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে কাজ করবেন। আগামীকাল লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে প্রথম এলিমিনেটরে হায়দরাবাদ কিংসমেন খেলবে মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে।
দ্বিতীয় এলিমিনেটরে সৈকতের সঙ্গে মাঠের আম্পায়ার থাকছেন আহসান রাজা। আসিফ ইয়াকুব ও রশিদ রিয়াজ তৃতীয় ও চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে কাজ করবেন। পরশু লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে হবে দ্বিতীয় এলিমিনেটর। কোয়ালিফায়ারের পরাজিত দল ও প্রথম এলিমিনেটর জয়ী দল মুখোমুখি হবে দ্বিতীয় এলিমিনেটরে।
সবশেষ ২০২৫ পিএসএলে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে ৬ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল লাহোর কালান্দার্স। এবার লাহোর বাদ পড়েছে লিগ পর্বেই। তাদেরকে টপকে প্লে-অফে উঠেছে নবাগত হায়দরাবাদ। ৩ মে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে হবে ফাইনাল।
এবারের পিএসএলে খেলতে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন ছয় বাংলাদেশি। যাঁদের মধ্যে পেশোয়ার জালমিতে শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানার সঙ্গী তানজিদ হাসান তামিম। লাহোরে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে খেলেছিলেন ইমন। আর রাওয়ালপিন্ডিজে খেলেছিলেন রিশাদ হোসেন। ছয় বাংলাদেশির মধ্যে একমাত্র তামিম পিএসএলে কোনো ম্যাচ খেলতে পারেননি। রানা চার ম্যাচে ৫.৪২ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৭ উইকেট। যেখানে এক ম্যাচেই ৪ ওভারে ৭ রানে নেন ৩ উইকেট। আর মোস্তাফিজ ৫ ম্যাচে ৭.১৭ ইকোনমিতে নেন ৬ উইকেট।