ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ভারতের বর্তমান বোলিং লাইন আপকেও সমীহ করেন সবাই। বিরাট কোহলির দলকে বল হাতে ভরসা জোগান জাসপ্রীত বুমরা, মোহাম্মদ শামি, ভুবনেশ্বর কুমার, রবীন্দ্র জাদেজার মতো পরীক্ষিত বোলাররা। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতেও তাঁদের জুড়ি নেই।
কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এসে কী যে হলো বুমরা-জাদেজাদের! একটি উইকেট পেতেই রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠে গেল তাঁদের।
সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটে হারের বিব্রতকর রেকর্ড গড়েছে ভারত। দুবাইয়ে আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও পাত্তা পায়নি কাগজে-কলমের ফেবারিট দলটি। কেন উইলিয়ামসন-মার্টিন গাপটিলরা কোহলিদের উড়িয়ে দিয়েছেন ৮ উইকেট ও ৩৩ বল হাতে রেখে। টানা দুই হারে সেমিফাইনালের সম্ভাবনা সুতোয় ঝুলে গেল ভারতের।
ব্যাটিংয়ে তো বটেই; বোলিংয়েও ভারতীয়দের পারফরম্যান্স এতটাই বিবর্ণ যে, একটি উইকেট পেতেই লেগে গেল ১৪৩ বল!
পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৭ বলেও উইকেট পায়নি ভারত। বুমরাদের হতাশায় ডুবিয়ে সেদিন পাকিস্তানকে জয় এনে দেন দুই ওপেনার বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান।
তার আগে জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলা শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১২ তম তম ওভারের শেষ বলে উইকেট পেয়েছিল ভারত। ওই ম্যাচ লঙ্কানরা জিতেছিল ১৪.৩ ওভারে। মানে, এখানেও ১৫ বলে নেই কোনো উইকেট।
আর আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারত উইকেটশূন্য ছিল শুরুর ২১ বলে। শেষমেশ ভারতীয়দের সেরা বোলিং অস্ত্র বুমরাই উইকেট খরা কাটান মার্টিন গাপটিলকে শারদুল ঠাকুরের ক্যাচ বানিয়ে। পরে আরেক ওপেনার ড্যারিল মিচেলকে ফেরান বুমরা।
ভাগ্যিস, বমুরা ছিলেন! নয়তো আরও বিব্রতকর রেকর্ডের অংশ হতো ভারত। বিশ্বকাপে একটি উইকেট পেতে অপেক্ষাও বাড়ত। বুমরা উইকেট না পেলে ভারতের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বশেষ উইকেটের মালিক হয়ে থাকতেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি! ২০১৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার ম্যাচে শেষ উইকেটটি পেয়েছিলেন কোহলি।