লক্ষ্যটা ছিল ১৮৩ রানের। এই পথ পাড়ি দিতে শুরুতেই খুব বেশি উইকেট হারালে বিপদে পড়তে হতো বাংলাদেশকে। কিন্তু তেমন কোনো বিপদে পড়তে হয়নি স্বাগতিকদের। পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ১ উইকেট হারানোর পর মাঝের ওভারে ইনিংসের হাল ধরেন তাওহীদ হৃদয়-পারভেজ হোসেন ইমনরা।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ৬ উইকেটের জয়ে হৃদয়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে জিতেছেন ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। ২৭ বলে ২ চার এবং ৩ ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস। ম্যাচ শেষে জানালেন, পরিস্থিতির চাহিদা মিটিয়ে ব্যাটিং করেই সফল হয়েছেন তিনি।
দলের জয়ের দিনে ১৩ বলে শামীমের অবদান ৩১ রান। এই ব্যাটারের প্রশংসা করতে ভুলেননি হৃদয়। তিনি বলেন, ‘উইকেটটা ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো ছিল। তানজিদের সঙ্গে ব্যাটিং করার সময় আমি পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতে চেয়েছি এবং সেটাই করার চেষ্টা করেছি। তখন আমাদের রান দরকার ছিল, তাই আক্রমণাত্মক খেলেছি। শামীম অসাধারণ খেলেছে। সে নেমে দারুণ ক্রিকেট খেলেছে।’
ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব হৃদয়, শামীম, ইমনদের দিয়েছেন অধিনায়ক লিটন দাস। তিনি বলেন, ‘জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করতে পারাটা অবশ্যই দারুণ। আমার মনে হয় এটা খুব ভালো একটা ম্যাচ ছিল। আমাদের ব্যাটিংয়ে আমি খুশি, বিশেষ করে হৃদয়। সে এবং ইমন মাঝের ওভারে খুব ভালো খেলেছে, আর শেষটা দারুণভাবে শেষ করেছে শামীম।’
বাংলাদেশ ম্যাচটা ঠিক কোথায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে সে ব্যাখ্যা দিয়েছেন লিটন, ‘পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ১ উইকেট হারানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই উইকেটে ১৮৩ রান বড় স্কোর, কারণ ব্যাটিংটা খুব সহজ ছিল না—ইনিংস বদলের পর উইকেট কিছুটা ধীর হয়ে গিয়েছিল। আমি বলেছিলাম, পাওয়ারপ্লেতে রান দরকার। শুরুটা ভালো হলে মিডল অর্ডারের জন্য কাজ সহজ হয়ে যায়। ইমন, হৃদয় আর শামীম যেভাবে ব্যাট করেছে, দেখে সহজ মনে হলেও আসলে তা ছিল না। হ্যাঁ, আমি ক্রিজে স্বচ্ছন্দই ছিলাম। তবে একটা বল নিচু হয়ে গিয়েছিল। একজন ব্যাটসম্যানের জন্য একটা বলই যথেষ্ট—এভাবে নিচু হলে আসলে কিছু করার থাকে না।’