ম্যাচ শুরুর ৩ ঘণ্টা আগে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের নেতৃত্ব থেকে মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে নাঈম ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। বিপিএল গভর্নিং কমিটির হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত মিরাজ দলের সঙ্গে থেকে গেলেও ঘটনাটি টুর্নামেন্টের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। পরে মিরাজ ও চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে বৈঠক করে দুপক্ষকেই সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মিরাজ-কাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের আলোচনায় অধিনায়ক বদল। এবার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের জায়গায় সিলেট সানরাইজার্সের নেতৃত্বে এলেন রবি বোপারা। সিলেটের নেতৃত্ব বদলের ঘটনায় অবশ্য কোনো মতবিরোধ নেই। মোসাদ্দেক নিজ থেকেই দায়িত্ব ছেড়েছেন।
অথচ ঘরের মাঠ সিলেটে আজ খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ম্যাচের ঠিক আগ মুহূর্তেও ফুরফুরে দেখাচ্ছিল মোসাদ্দেককে। মনে হচ্ছিল মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তিনিই টস করতে নামবেন। কিন্তু মোসাদ্দেকের জায়গায় বোপারাকে দেখে বিস্মিত হন সবাই। অধিনায়ক না থাকলেও একাদশে ঠিকই আছেন মোসাদ্দেক।
কেন টুর্নামেন্টের মাঝপথে এমন বদল? তা ছাড়া মোসাদ্দেকের জায়গায় সহ-অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়কেও তো দায়িত্ব দেওয়া যেত। তাঁকে না দিয়ে বোপারা কেন?
সংবাদমাধ্যমে সব কিছু খোলাসা করলেন সিলেটের মিডিয়া ম্যানেজার সাজিদ মুস্তাহিদ, ‘চট্টগ্রাম পর্ব শেষেই মোসাদ্দেক নেতৃত্ব ছেড়ে নিজের খেলায় আরও মনোযোগী হতে চেয়েছিলেন। আমরা বিজয়কে অধিনায়ক হতে বলি। কিন্তু টুর্নামেন্টের মাঝপথে নেতৃত্ব নিতে রাজি হননি বিজয়ও। আজ মাঠে এসে কোচ মারভিন ডিলন বোপারাকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে রাজি করান।’