বোলিংই বাংলাদেশ দলের মূল শক্তির জায়গা। সেটা পেস ও স্পিন—দুই বিভাগেই। উইকেট-কন্ডিশন সম্পর্কে এখনই বলতে পারছি না। বাংলাদেশ একটু আগেই যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে, এটা ভালো দিক। ওখানে খেলা শুরু করলে সেখানকার কন্ডিশনের বিষয়ে ভালো করে বুঝতে পারবে বাংলাদেশ। শুধু আমরাই নয়, কন্ডিশন সম্পর্কে আসলে এখন কোনো দলই জানে না।
বাংলাদেশ স্পিন ও পেস—দুটিতেই ভালো সমন্বয় নিয়ে গেছে। পেস বোলিং কন্ডিশন হলে বাংলাদেশের ভালো পেস বিভাগ আছে, স্পিন-সহায়ক হলে ভালো মানের স্পিনারও আছে। বোলিং বিভাগকেই তাই সবাই এগিয়ে রাখছে। অবশ্যই তাসকিন এখন আমাদের এক নম্বর বোলার। সে যদি ফিট থাকে, আমাদের জন্য অনেক বড় সুবিধা বা পাওয়া। অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যদি তাসকিনকে না-ও পাওয়া যায়, তবু আমাদের দলের বাকি বোলাররাও ভালো।
অবশ্যই ব্যাটিং নিয়ে চিন্তা আছে। ব্যাটিং ভালো করলে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে ভালো করবে। বিশ্বকাপে ভালো করতে হলে টপ অর্ডার, মিডল অর্ডার—সব পজিশনের ব্যাটারদেরই ভালো করতে হবে। শুধু সাকিব-মাহমুদউল্লাহ নয়, সবার কাছে সমান প্রত্যাশা থাকবে। দলকে জেতাতে সবাইকে ভালো অবদান রাখতে হবে।
এবার বাংলাদেশ কত দূর যাবে, এটা বলা খুব মুশকিল। বিশ্বকাপ শুরু হলে বোঝা যাবে। কারণ, বিশ্বকাপ ভিন্ন ধরনের খেলা। চাওয়া থাকবে, প্রথম রাউন্ডটা যেন অন্তত পার হয়। বাংলাদেশের সেই সামর্থ্য আছে, যদি বাংলাদেশ নিজেদের মতো খেলতে পারে। (প্রথম রাউন্ড পার করে সুপার এইটে) অবশ্যই যাওয়া উচিত তাদের।
শক্তি: বোলিং, দুর্বলতা: ব্যাটিং