ভারত-শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে চলমান ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ ৮ মার্চ। আইসিসির এই ইভেন্ট শেষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলবে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান। আইপিএল-পিএসএল মাঠে গড়ানোর আগেই শেষ হবে দুই দলের সিরিজ।
বিশ্বকাপ শেষে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান। তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। ১৩ মার্চ শুরু হওয়া সিরিজ শেষ হবে ২৫ মার্চ। লঙ্কা-আফগান সিরিজ শেষেই শুরু হবে আইপিএল-পিএসএল। এই দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নােমন্ট শুরু হবে ২৬ মার্চ।
শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। ১৩, ১৫ ও ১৭ মার্চ হবে তিনটি টি-টোয়েন্টি। শারজায় হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এই সিরিজ শেষে ভেন্যু বদলাতে হবে দুই দলকে। ওয়ানডে সিরিজ হবে দুবাইয়ে। ২০, ২২ ও ২৫ মার্চ হবে তিনটি ওয়ানডে। দাসুন শানাকা, রশিদ খান, কুশল পেরেরা, নুর আহমাদ—এই চার ক্রিকেটার আইপিএল, পিএসএল দুই টুর্নামেন্টেই দল পেয়েছেন।
এই সিরিজ শেষেই প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কাকে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে আফগানিস্তান। ২০২২ থেকে শুরু করে ২০২৪ পর্যন্ত ওয়ানডে সিরিজে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান। তিনটি সিরিজই হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। দুইবার সিরিজ জিতেছে লঙ্কানরা। একটি সিরিজ ড্র হয়েছে। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে একবারই মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। সেই সিরিজ জিতেছে আফগানরা।
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলা আফগানিস্তান এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ছিটকে গেছে। এবার গ্রুপ পর্বে ‘ডি’ গ্রুপে আফগানদের প্রতিপক্ষ ছিল নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডা। তবে শ্রীলঙ্কা উঠেছে সুপার এইটে। গতকাল পাল্লেকেলেতে ইংল্যান্ডের কাছে ৫১ রানে হেরে হোঁচট খেয়েছে লঙ্কানরা। সুপার এইটে শ্রীলঙ্কার অপর দুই প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান।