ফলোঅনে পড়েই যত শঙ্কা তৈরি করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ইনিংসের ভারতের সাথে পাল্লা দিয়ে ব্যাটিং করতে না পারায় ক্যারিবীয়রা ফের ইনিংস হারের লজ্জা পায় কিনা, সেটা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সব আলোচনাকে দূরে ঠেলে দিল্লি টেস্টে স্বাগতিকদের বিপক্ষে লিড নিয়েছে সফরকারী দল।
৫১৮ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস থামে ২৪৮ রানে। ইনিংস হার এড়াতে দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে ২৭০ রান করতে হতো রস্টন চেজের দলকে। সাম্প্রতিক সময়ের ব্যর্থতা এবং প্রথম ইনিংস বিবেচনায় যেটা বেশ কঠিন ছিল তাঁদের জন্য। কিন্তু জন ক্যাম্পবেল ও শাই হোপের ব্যাটি দৃঢ়তায় মান বেঁচেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
দলকে ইনিংস হার থেকে বাঁচানোর পথে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ক্যাম্পবেল ও হোপ। তৃতীয় দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেট ১৭৩ রান। ইনিংস হার এড়ানোর জন্য আরও ৯৭ রান দরকার ছিল তাদের। এদিন সেঞ্চুরি করে ব্যক্তিগত ১১৫ রানে ফেরেন ক্যাম্পবেল। ১২ চার ও ৩ ছয়ে তাঁর ইনিংস সাজানো। ক্যাম্পবেল ফিরলেও আরও বেশ কিছুক্ষণ ক্রিজে ছিলেন হোপ। লিড পাওয়ার পর দলীয় ২৭১ রানে আউট হন এই ব্যাটার। তার আগে খেলেন ১০৩ রানের ইনিংস। ১২ চারের পাশাপাশি ২ ছয় আসে তাঁর ব্যাট থেকে।
চলমান টেস্টে বাকি আছে আরও প্রায় দেড় দিনের খেলা। ইনিংস হারের শঙ্কা দূর করে এবার ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানানোর চেষ্টায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কাজটা বেশ কঠিন হবে তাদের জন্য। লেজের ব্যাটাররা দারুণ কিছু করতে পারলেই কেবল এই টেস্টে লড়াই করতে পারবে দলটি।