হোম > খেলা > ক্রিকেট

প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে পাকিস্তানে ৫ উইকেট হাসানের

পাকিস্তানকে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে রীতিমতো নাচিয়ে ছেড়েছেন নাহিদ রানা ও হাসান মাহমুদ। রেকর্ডটা কে করবেন, সেটা নিয়ে দুজনের মধ্যে চলছিল প্রতিযোগিতা। শেষ পর্যন্ত রাওয়ালপিন্ডিতে হাসানের কাছে হার মেনেছেন নাহিদ। রাওয়ালপিন্ডির অনার্স বোর্ডে নাম লিখিয়ে পিচে সিজদা দিলেন হাসান।

টেস্টে হাসানের পথচলা শুরু হয়েছে এ বছরই। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট  ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে হাসানের তৃতীয় ম্যাচ। টেস্ট ক্যারিয়ারে এক ইনিংসে প্রথমবারের মতো ৫ উইকেট এবার রাওয়ালপিন্ডিতেই পেয়ে গেলেন তিনি। তাতে ‘এক ঢিলে দুই পাখি’ মেরেছেন হাসান। পাকিস্তানের বিপক্ষে তো বটেই, এমনকি পাকিস্তানের মাঠে বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে টেস্টে এক ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট। বাংলাদেশের পেসার হিসেবে পাকিস্তানের মাঠে সেরা বোলিংয়ের কীর্তি এতদিন ছিল খালেদ মাহমুদ সুজনের। ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে মুলতানে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৭ রানে নেন ৪ উইকেট। 

রাওয়ালপিন্ডিতে গতকাল চলমান দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলেই হাসান নেন ২ উইকেট। ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক ও নাইটওয়াচম্যান খুররম শেহজাদকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই কোণঠাসা করে দেন হাসান। তবে বাংলাদেশের এই পেসার আজ চতুর্থ দিনে পাচ্ছিলেন না উইকেটের দেখা। পাবেন কী করে! প্রথম সেশনে যে ৪ উইকেট পড়েছে, ৩টিই নিয়েছেন নাহিদ এবং তাসকিন পেয়েছেন ১ উইকেট। চতুর্থ দিনে উইকেটশূন্য হাসান জ্বলে উঠলেন লাঞ্চের পরই।  ৩৭তম ওভারের পঞ্চম ও শেষ বলে টানা দুইটি উইকেট নেন বাংলাদেশের এই পেসার। যার মধ্যে রয়েছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের উইকেট। যিনি গোল্ডেন ডাকের হাত থেকে বেঁচে গিয়ে ৪৩ রানে ফিরেছেন। হাসানের বলে ক্যাচ ধরেন উইকেটরক্ষক লিটন দাস। মোহাম্মদ আলীর যে উইকেট হাসান নিয়েছেন, তখন স্লিপে ক্যাচ ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। 

হাসানের উইকেট নেওয়ার কিছুক্ষণ পর উইকেট পেয়েছেন নাহিদ। আবরার আহমেদের উইকেট নিয়ে টেস্টে প্রথমবারের মতো ইনিংসে নেন ৪ উইকেট। নাহিদের সামনেও তৈরি হয় টেস্টে প্রথমবারের মতো ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার সুযোগ। শেষ হাসি হেসেছেন হাসান। মীর হামজাকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ইনিংসে সমাপ্তি টেনে হাসান করে ফেললেন ইতিহাস। পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে হাসানের বোলিং বিশ্লেষণ:  ১০.৪-১-৪৩-৫। পাকিস্তানের মাঠে বাংলাদেশের মাঠে তৃতীয় সেরা বোলিংয়ের কীর্তি নাহিদের। চলমান দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪ রানে নেন ৪ উইকেট।

টেস্টে এক ইনিংসে প্রতিপক্ষের ১০টি উইকেট রাওয়ালপিন্ডিতে এবারই  প্রথমবার নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পেসাররা প্রতিপক্ষের সব উইকেট নিয়েছেন তিনবার। বাকি দুটিই হয়েছে ২০২৩ সালে। প্রথমটি গত বছর ২৩ মার্চ সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে। বাংলাদেশের ১০ উইকেটে জয়ের সে ম্যাচে ১০১ রানে অলআউট হয়েছিল আয়ারল্যান্ড। ২৯ রানে ২টি উইকেট নিয়েছিলেন ইবাদত হোসেন, ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন তাসকিন এবং হাসান নেন ৩২ রানে ৫ উইকেট। দ্বিতীয় ঘটনা হয়েছে ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর। নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়েছিলেন শরীফুল ইসলাম, তানজিম হাসান ও সৌম্য সরকার। ১ উইকেট নিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান।

পাকিস্তানের মাঠে টেস্টে বাংলাদেশি পেসারের ইনিংসে সেরা ছয় বোলিং
                                            বোলিং                    সাল             ভেন্যু             
হাসান মাহমুদ                      ৫/৪৩                       ২০২৪        রাওয়ালপিন্ডি  
খালেদ মাহমুদ সুজন            ৪/৩৭                       ২০০৩         মুলতান  
নাহিদ রানা                           ৪/৪৪                     ২০২৪        রাওয়ালপিন্ডি  
তাসকিন আহমেদ                 ৩/৫৭                   ২০২৪        রাওয়ালপিন্ডি  
মাশরাফি বিন মর্তুজা             ৩/৬৮                  ২০০৩           করাচি   
খালেদ মাহমুদ সুজন            ৩/৬৮                   ২০০৩          মুলতান

বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কথা হয়নি আইসিসির

রংপুরের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের বার্তা সিলেটের

উইজডেনের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে মোস্তাফিজ, আরও যাঁরা আছেন

বিসিবিকে ২১ জানুয়ারির ডেডলাইনের ব্যাপারে কিছু বলেনি আইসিসি

ভারত সিরিজের চেয়ে বিপিএলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার

বাংলাদেশ না খেললে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড

বাংলাদেশকে ‘সমর্থন’ জানিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি বন্ধ রাখল পাকিস্তান

আইপিএলের মতো ‘সিস্টেম’ এবার চালু হচ্ছে পিএসএলেও

বিশ্বকাপ দলের পাঁচ তারকা ছাড়াই পাকিস্তানে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের কাজে ক্ষুব্ধ সাইফ