হোম > খেলা > ক্রিকেট

বিসিবির অ্যাডহক কমিটি হবে নাকি অক্টোবরে নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিসিবিতে নির্বাচন হওয়ার কথা। ছবি: বিসিবি

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে শেষ হচ্ছে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের মেয়াদ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দ্বিতীয় সপ্তাহে হওয়ার কথা নির্বাচন। সে হিসাবে ৫০ দিনও বাকি নেই। সময় যত গড়াচ্ছে, বিসিবির নির্বাচন নিয়ে ততই বাড়ছে ধোঁয়াশা। ধোঁয়াশা আরও বেড়েছে বিসিবির সহসভাপতি ও প্রভাবশালী পরিচালক মাহবুবুল আনামের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে।

যে মাহবুবুল আনাম দুই যুগের বেশি সময় ধরে বিসিবির একজন গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশের ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পরও ক্রিকেট প্রশাসনে তাঁর শক্ত অবস্থান থেকে গেছে। সেই মাহবুবুল আনাম কোন বাউন্সারের মুখোমুখি হয়েছেন যে তাঁকে লম্বা ইনিংস খেলার পর এখন ‘ডাক’ করতে হচ্ছে! সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে গোপনীয় কিছু বিষয় জনসম্মুখে আসায় নিজেকে আড়ালে নিতে চাইছেন তিনি। মাহবুব আনামের নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তে বিসিবির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাহবুব ভাইয়ের সিদ্ধান্ত আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। জাতীয়তাবাদী সংগঠক ও সাবেক ক্রিকেট সংগঠকেরা শিগগির বসব। চাইব তিনি সিদ্ধান্ত বদলে নির্বাচনে থাকুন। ক্রিকেটে তাঁর অভিজ্ঞতা এখনো দরকার।’

যদি সত্যিই মাহবুব আনাম নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান, তাতে জাতীয়তাবাদী ধারার প্রার্থীদের একটা চাপে পড়ার আশঙ্কা থাকছে। তবে নিজের কঠিন সময় কাটিয়ে উঠতে পারলে মাহবুব আনাম সিদ্ধান্ত বদল করলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

২০২৪ সালের সংশোধিত গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ-১৯ অনুযায়ী, নির্বাচনের জন্য পরিচালন পরিষদ একটা নির্বাচন কমিশন গঠন করবে ও নির্বাচন পরিচালনার ব্যবস্থা করবে। সেই নির্বাচন কমিশন কবে, কাদের দিয়ে গঠিত হবে, এখনো অনিশ্চিত। উল্টো গুঞ্জন, অক্টোবরে নির্বাচন না-ও হতে পারে। বরং অ্যাডহক কমিটি করে চালিয়ে নেওয়া হতে পারে ক্রিকেট পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রম। কিন্তু বর্তমানে বিসিবির গঠনতন্ত্রে অ্যাডহক কমিটি গঠনের কোনো বিধান নেই। বিধান না থাকলেও যে কিছু হবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ‘ল অব দ্য ল্যান্ড’ অনুযায়ী যেকোনো কিছু যেমন ‘সুপারসিড’ হতে পারে, বিসিবির অ্যাডহক কমিটি হতে পারে সেভাবেও। আর সেটি হলে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের অনেকের ঠাঁই হবে না অ্যাডহক কমিটিতে, এমন গুঞ্জন বেশ জোরালো। আর মাহবুব আনাম যদি বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করেন, সে ক্ষেত্রে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সামলানোর ভার নিতে হতে পারে স্বয়ং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে।

জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে যাঁরা থাকেন, তাঁরা সাধারণত বিসিবির নিয়ন্ত্রক ভূমিকায় থাকেন। আপাতত অ্যাডহক কমিটি করে বিসিবির নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের পরে নেওয়ার যুক্তি এভাবেই আসছে। যদি সত্যি অ্যাডহক কমিটি হয়, সেখানে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের অনেকে যদি ছিটকে পড়েন, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে নিয়ে কোনো তর্কবিতর্ক নেই। বুলবুল অবশ্য বারবার বলে আসছেন, মেয়াদ শেষ হলে তিনি বিদায় নেবেন সভাপতির দায়িত্ব থেকে। সভাপতি কিংবা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হতে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছে নেই তাঁর। বরং বিসিবির অধ্যায় শেষে ক্রিকেট পরামর্শক হিসেবে পৃথিবী ঘুরে ঘুরে কাজ করার ইচ্ছা বুলবুলের। নির্বাচন কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে জানতে চাইলে তাঁর একটিই উত্তর, ‘আমার সব মনোযোগ চার্টার নিয়ে, ট্রিপল সেঞ্চুরি প্রোগ্রাম নিয়ে। আগামী মাসেও বড় তিনটি প্রোগ্রাম দেখতে পাবেন। যখন মেয়াদ শেষ হবে, হেঁটে চলে যাব।’

সভাপতি হিসেবে বুলবুল নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বিসিবির নির্বাচনী সমীকরণ এখন যথেষ্ট জটিল। নির্বাচন নিয়ে এমন ঘোলাটে পরিস্থিতির দেখা মেলেনি আগে কখনো। এ কারণে এখন বলার সুযোগ নেই, কে হতে যাচ্ছেন বিসিবির পরবর্তী সভাপতি।

বিসিবি পরিচালক নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলবেনই না ক্রিকেটাররা

বিপিএলের ম্যাচ শুরু না হওয়ায় বিসিবির দুঃখপ্রকাশ

বিদেশি লিগে বেশি খেলতে পারবেন না আফগান ক্রিকেটাররা

ক্রিকেটারদের বিপিএল ‘বয়কট’, হচ্ছে না নোয়াখালী-চট্টগ্রামের ম্যাচ

ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বিসিবি

মিচেলের সেঞ্চুরিতে ভারতকে হারিয়ে সমতায় নিউজিল্যান্ড

দেশের ক্রিকেটারদের খেলা বন্ধের হুমকি

ক্রিকেটারদের টাকা চাওয়া পরিচালকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বিসিবি

রিশাদদের হাতের নাগালে থাকা জয় কেড়ে নিলেন পাকিস্তানি পেসার

ক্রিকেটাররা তো কিছুই করতে পারে না, আমরা কি টাকা ফেরত চাচ্ছি: বিসিবি পরিচালক