নামিবিয়াকে হারালেই সুপার এইট—কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে (এসএসসি) পাকিস্তান আজ খেলতে নেমেছিল এই সমীকরণ নিয়ে। বাঁচা-মরার ম্যাচে পাকিস্তান পেয়েছে ১০২ রানের আয়েশি জয়। ভারতের পর ‘এ’ গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার এইটের টিকিট কাটল পাকিস্তান।
ভারতের কাছে কলম্বোর প্রেমাদাসায় ১৫ ফেব্রুয়ারি ৬১ রানে হেরে রানরেট ঋণাত্মক পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল পাকিস্তানের। তাতে করে যুক্তরাষ্ট্রের সুপার এইটে ওঠার হালকা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। ৪ ম্যাচে দুটি করে জয় ও হারে ৪ পয়েন্ট পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নেট রানরেট +০.৯৭৬। যদি কলম্বোর এসএসসিতে নামিবিয়া অঘটন ঘটাত, তাহলে পাকিস্তানও আটকে যেত ৪ পয়েন্টে। নেট রানরেটের মারপ্যাঁচে সুপার এইটে উঠত যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু নামিবিয়া আজ দাঁড়াতেই পারল না পাকিস্তানের সামনে।
পাকিস্তানের দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্বাবলীলভাবেই শুরু করে নামিবিয়া। কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪ ওভারে ৩২ রান করে ফেলে নামিবিয়া। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ইয়ান ফ্রাইলিংকে (৯) বোল্ড করেন পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার সালমান মির্জা। এই যে ভাঙন নামে নামিবিয়ার ইনিংসে, তাতে পুরো দল মিলিয়ে ১০০ রানও করতে পারেনি। ১৭.৩ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় দলটি। ইনিংস সর্বোচ্চ ২০ রান করেন আলেক্সান্ডার বুচিং ভলশেঙ্ক। ২০ বলের ইনিংসে একটি করে চার ও ছক্কা মারেন তিনি।
পাকিস্তানের উসমান তারিক ৩.৩ ওভারে ১৬ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। এক ওভার মেডেনও দিয়েছেন তিনি। শাদাব খান নিয়েছেন ৩ উইকেট। মোহাম্মদ নাওয়াজ ও সালমান মির্জা নিয়েছেন একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এসএসসিতে আজ টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৯ রান করেছে পাকিস্তান। ৫৮ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১০০ রান করে অপরাজিত থাকেন সাহিবজাদা ফারহান। তবে তিনি সেঞ্চুরি করেছেন ৫৭ বলে। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানিদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে এই কীর্তি ছিল আহমেদ শেহজাদের। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের এই দুই ব্যাটার সেঞ্চুরি করেছেন।