একটা সময় ছিল বছরজুড়ে দুই তিনটা সিরিজ খেলত বাংলাদেশ। দুই সিরিজের মাঝে থাকত লম্বা সময়ের বিশ্রাম ৷ তবে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতির সঙ্গে সিরিজ ও ম্যাচের সংখ্যাও বেড়েছে ৷ তবে আগামী ৪ বছর ব্যস্ত সূচিতে থাকতে হবে বাংলাদেশকে।
আইসিসির আগামী চার বছরের ভবিষ্যৎ সফরসূচিতে (এফটিপি) সব সংস্করণ মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৪৪টি ম্যাচ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ধারে কাছে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাবে ১৪২টি ম্যাচ। এতো খেলার মাঝে ক্রিকেটারদেরও ব্যস্ততা বাড়বে। এতে প্রতিটি সিরিজে ক্রিকেটারদের বিশ্রামের প্রয়োজনটাও বাড়তে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে একই সঙ্গে দুটি দল খেলার প্রথাও চালু করেছে ইংল্যান্ড ও ভারত। কখনও কখনও প্রতিটি সিরিজে ভিন্ন ভিন্ন ক্রিকেটার পাঠাচ্ছে তারা। মূলত ব্যস্ত সূচিতে শারীরিক ও মানসিক ধকল সামলাতে ক্রিকেটারদের রোটেশন দিয়ে খেলাচ্ছে তারা।
ইংল্যান্ড-ভারতের মতো দলগুলো রোটেশন নিয়ম চালু করলেও এখন পর্যন্ত সেই পথে হাঁটতে পারেনি বাংলাদেশ। এ মাসে শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুয়ের মতো কম গুরুত্বপূর্ণ সফরেও পূর্ণ শক্তির দল পাঠাচ্ছে বিসিবি। তবে এফটিপির আগামী চক্রে রোটেশন পলিসিতে হাঁটার চিন্তা ভাবনা আছে বোর্ডের।
আজ মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘শুধু ক্রিকেটাররা না, টিম ম্যানেজমেন্টে যারা আছেন তারাও ব্যস্ততম সময় পার করবেন। যখন আমাদের এফটিপিটা চূড়ান্ত হবে আমরা বসে পরিকল্পনা করে, সবার খেলার মতো সময় নিয়ে আলোচনা করে পরিকল্পনা করে নিতে হবে। এটার পরিকল্পনা প্রয়োজন, সময়সূচি থাকতে হবে, কে কোথায় অংশগ্রহণ করবে, কে কোথায় পারবে না।’