হোম > রাজনীতি

বাংলাদেশের মানুষ কোনো দেশের প্রভুত্ব মেনে নেবে না: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের মানুষ কোনো দেশের প্রভুত্ব মেনে নেবে না উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘কোনো দেশ যদি মনে করে আমাদের ওপর প্রভুত্ব করবে, বাংলাদেশের মানুষ কোনো দিন সেই প্রভুত্ব স্বীকার করেনি। মুঘল আমলেও করেনি, ব্রিটিশ আমলেও করেনি এবং পাকিস্তানের আমলেও করেনি, এখনো করবে না।’ 

এ সময় তিনি প্রয়াত সংগীতশিল্পী ফকির আলমগীরের গাওয়া জনপ্রিয় গানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারও দানে পাওয়া নয়। আমরা রক্তের দাম দিয়ে এই বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। কারও দয়ায় বাংলাদেশ স্বাধীন হয় নাই।’ 

আজ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল এই সমাবেশের আয়োজন করে। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে এই সমাবেশ শুরু হয়, বেলা ১২টায় শেষ হয়। 

চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নামতে হবে। মানুষকে সঙ্গে না নিয়ে নামলে আপনারা জয়ী হতে পারবেন না। শ্রমিক ও ছাত্রদের নামাতে হবে। সেদিনই হবে সফল গণ-অভ্যুত্থান, সফল বিস্ফোরণ এবং বিজয়। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার এবং প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নেতা-কর্মীদের পরামর্শ দেন তিনি। 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে জোর করে এই যে দখলদারি, একটা রেজিম, শাসকগোষ্ঠী বাংলাদেশের মানুষের বুকের ওপরে চেপে বসে আছে; এদের কোনো নৈতিক অধিকার নেই, এ দেশের কোনো সাংবিধানিক অধিকার নেই এই চেয়ারগুলোতে বসে থাকার। এরা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে ১৯৭৫ সালেও প্রতারণা করেছিল। বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল। আজকে আবার ভিন্ন কায়দায় ছদ্মবেশে মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে একটা একদলীয় শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছে। আজকের অবস্থা আরও ভয়াবহ। এই আপনারা মোবাইল ব্যবহার করছেন। মোবাইলের যে টেকনোলজি, এটাকে ব্যবহার করে তারা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যা কিছু করে তা দেখতে পায়, শুনতে পায়। ফলে যখন বাংলাদেশের কোনো মানুষ কথা বলতে চায়, প্রতিবাদ করতে চায়, বিপ্লব করতে চায় এবং ঘুরে দাঁড়াতে চায় তখনই তাঁকে তুলে ফেলে। 

ফখরুল বলেন, ১৪ সালের নির্বাচনে তাঁরা (আওয়ামী লীগ সরকার) বিরোধী দলকে আসতে দেয়নি। অত্যন্ত সুকৌশলে ১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে মানুষের মতামতকে কেড়ে নিয়েছে। আর এবার আরও চমৎকার নাটক করেছে। নিজেরা নিজেরাই নির্বাচন করেছে। ডামি প্রার্থী দাঁড় করিয়েছে। যারা বিরোধী দল বলে দাবি করে, তাদের আসন বণ্টন করে একটা নির্বাচন করেছে। যে নির্বাচনকে কেউ গ্রহণ করেনি, বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করেনি এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বও গ্রহণ করেনি। 

সমাবেশে নেতা-কর্মীরা লাল ও সবুজ রঙের টুপি পরে এবং নেতাদের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে অংশ নেন। এ সময় তাঁরা নেতা-কর্মীদের মুক্তিসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগানে সমাবেশস্থল মুখরিত করে তোলেন। এদিকে সমাবেশকে ঘিরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, ফজলুর রহমান, ফরহাদ হালিম ডোনার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ।

রাজনীতিবিদেরা জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হলে গণতান্ত্রিক উত্তরণ সম্ভব নয়: আমীর খসরু

ছাত্র অধিকার পরিষদের ১৩৯ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

সুনামগঞ্জ-১ ও ২: বিএনপির ‘জোড়া’ প্রার্থীতে দ্বিধা

এনসিপিত্যাগীদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘জনযাত্রা’

আগামী নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ

কথিত একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে সহিংসতা করছে: মির্জা আব্বাস

বিএনপি-জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দিল নতুন জরিপ

শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন নজরুল ইসলাম খান

মামুনুল হকের বাসায় নাহিদ, কী কথা হলো দুজনে

জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা কাল-পরশুর মধ্যে: জামায়াত আমির