হোম > রাজনীতি

আমাদের লড়াই হলে ভারতের সঙ্গে হবে: হান্নান

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির মতবিনিময় সভা। ছবি: আজকের পত্রিকা

ভারত আমাদের চোখ রাঙিয়েছে, লড়াই হলে ভারতের সঙ্গে হবে—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াই হলে ভারতের সঙ্গে হবে, ভারত আমাদের চোখ রাঙিয়েছে, আমরা অস্ত্র যদি ভারত থেকে কিনি, তাহলে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী কি কখনো লড়াই করতে পারবে?’

আজ মঙ্গলবার বিকেলে নোয়াখালী শহরের একটি রেস্টুরেন্টে জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা সংগঠকদের মতবিনিময় সভায় আবদুল হান্নান মাসউদ এই মন্তব্য করেন।

আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে ভারত থেকে তাদের পুরোনো জীর্ণশীর্ণ অস্ত্র বাংলাদেশ বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দিয়ে কিনে নিয়ে আসছে। শেখ হাসিনার আমলে ভারত বারবার এই দেশকে হুমকির দিকে ঠেলে দিতে চোখ রাঙিয়েছে, এই দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের দেশে প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্য করে আসছে, এমনকি তাদের পুরোনো ট্যাংক, হেলিকপ্টার যেগুলো তারা ব্যবহার করতে পারছে না, সেগুলো বাংলাদেশের কাছে জোরপূর্বক বিক্রি করত।’

এনসিপি নেতা আরও বলেন, ‘যখন ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকার এসে সেই সশস্ত্র বাহিনীকে নতুনভাবে গড়ে তোলার জন্য ভারতের সঙ্গে চুক্তি হওয়া ২১ বিলিয়ন টাকার অস্ত্র কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তখনই একটা গোষ্ঠীর গায়ে জ্বালাপোড়া শুরু হয়েছে গেছে। তারা বোঝাতে চেয়েছে ভারত থেকে অস্ত্র না কিনলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয়ে যাবে।’

জেলা সংগঠক মুনতাসির মাহমুদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব নিজাম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নুর প্রমুখ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে নিয়েই চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণার আশা মামুনুল হকের

একই ব্যালটে সাধারণ ও পোস্টাল ভোটের প্রস্তাব বিএনপির

ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব নিয়েছেন মামুনুল হক: রাশেদ প্রধান

জামায়াতের জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্তে চলছে রুদ্ধদ্বার বৈঠক, সংবাদ সম্মেলন রাত ৮টায়

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের নাম হতে পারে ‘এনপিএ’

আসন সমঝোতার আলোচনা, থমকে যাচ্ছে বারবার

এনসিপির অগ্রাধিকারে সংস্কার, বিচার ও কর্মসংস্থান

দুর্নীতি দমন, নারীর অধিকারে গুরুত্ব জামায়াতের

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় প্রাধান্য বিএনপির

জামায়াত আমির বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন করবেন না: মার্থা দাশ