জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোকি এবং জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক ইয়ামাদা তেতসুয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার জাপানে বৈঠক দুটি অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।
এসব বৈঠকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন ও জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।
জামায়াত জানায়, শিমাদা তোমোকির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উভয় পক্ষই বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। শফিকুর রহমান বাংলাদেশে বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতাল স্থাপনের জন্য জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।
এ ছাড়াও আলোচনায় জাপানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করা হয় বলেও জানায় জামায়াত। শফিকুর রহমান বাংলাদেশে জাপানের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের অবদানের কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনায় জাইকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে জাইকার অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অধিকার করে আছে। জামায়াত আমির আশা প্রকাশ করেন পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাইকার উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশে পরিণত হবে।