হোম > রাজনীতি

আন্দোলন কর্মসূচি

সংঘাত এড়িয়ে সংগঠিত হওয়ার কৌশলে ১১ দল

আব্দুল্লাহ আল গালিব, ঢাকা

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দল। তবে সংঘাত বেধে যেতে পারে এমন কর্মসূচিতে আপাতত যাবে না তারা। কঠোর বা সংঘাতমুখী কর্মসূচিতে না গিয়ে বরং সংগঠিত ও ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এভাবে ধাপে ধাপে এই আন্দোলন এগিয়ে নিতে চায় জোটটি।

১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ গতকাল রোববার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সরকার যদি আমাদের দাবি মেনে নেয়, তাহলে তো ভালোই। আর মেনে না নিলে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে আছি।’

জোটের শীর্ষ নেতারা বলছেন, আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে চলছে, যেখানে দলগুলোর নেতা-কর্মীরা অংশ নিচ্ছেন এবং দাবিসংক্রান্ত বিষয়গুলো জনগণের সামনে তুলে ধরছেন। এই ধাপ শেষ হওয়ার পর বিভাগীয় পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে। এরপর রাজধানীতে জাতীয় সমাবেশের মাধ্যমে আন্দোলনকে নতুন মাত্রায় নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। ওই সমাবেশ থেকেই পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী কর্মসূচির রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে।

জোটের নেতারা আরও জানান, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, এমন কোনো কর্মসূচি আপাতত দেওয়া হবে না। বরং শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ ও মিছিল-মিটিংয়ের মাধ্যমে তাঁরা সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করবেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলন দমন করার কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে সে ক্ষেত্রে আলাদা বিবেচনার কথাও জানিয়েছেন তাঁরা।

জ্বালানি নিয়ে চলমান সংকটের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হচ্ছে ১১ দলের নেতাদের। তাঁদের মতে, জ্বালানি সংকটে ইতিমধ্যে দেশের নানা খাতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিষয়টিকে মাথায় রেখেই তাঁরা আন্দোলনের পরিকল্পনা সাজাবেন।

জোট সূত্র বলছে, জোটের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দীর্ঘ মেয়াদে আন্দোলনের সক্ষমতা ধরে রাখার ওপর। সে কারণে এখনই কঠোর কর্মসূচিতে না গিয়ে ধাপে ধাপে অগ্রসর হওয়ার কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

এতে একদিকে যেমন জনসম্পৃক্ততা বাড়বে, অন্যদিকে আন্দোলনের গতি ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে ধারণা করছেন নেতারা।

জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩০ এপ্রিল ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা আছে। ওই বৈঠকে তৃতীয় ধাপের বিভাগীয় পর্যায়ের সমাবেশ, পরবর্তী জাতীয় সমাবেশ এবং আন্দোলনের ধারাবাহিক কর্মসূচি নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হবে।

জানতে চাইলে ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান গতকাল বলেন, ‘জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা অতীতের মতো মানুষের জন্য ক্ষতিকর কর্মসূচিতে যেতে চাই না। দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হওয়ার আগপর্যন্ত ১১ দল রাজপথ এবং সংসদেও থাকবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে চাই। তবে সেটার জন্য আমরা কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মসূচির দিকে যেতে চাচ্ছি না।’

তবে প্রয়োজন হলে কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিত দিয়ে রাশেদ প্রধান আরও বলেন, সরকার যদি অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের মতে আন্দোলন দমন করতে চায়, সে ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা।

উত্তরায় বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল জব্দ, ২ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৩

ডাকসু ভিপি ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ঢাবি ছাত্রদলের

শিক্ষাঙ্গনে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ ও ক্যাডারভিত্তিক কার্যক্রম বন্ধের দাবি ছাত্র জমিয়তের

ইসহাক সরকারকে আহ্বায়ক করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণে এনসিপির নতুন কমিটি

বিএনপির মাধবী মার্মার প্রার্থিতা বাতিল চান ছাত্রদল নেত্রী

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করলেন এনসিপির মনিরা শারমিন

নিজ ও দলের নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা চাইলেন জামায়াত এমপি মাছুম মোস্তফা

তারেক রহমানের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের বৈঠক

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস মারা গেছেন

এনসিপির যুবশক্তির নতুন কমিটি, নেতৃত্বে তারিকুল-ফরহাদ-রিফাত