হোম > রাজনীতি

সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চান রাজশাহীর এক ডজন নেত্রী

রিমন রহমান, রাজশাহী

রাজশাহী থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অন্তত এক ডজন নেত্রী এবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে দলের মনোনয়ন চান। তাঁদের অনেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কিংবা সহযোগী সংগঠনের কাউকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি করা হয়নি। তাই এবার মহানগর থেকেই কাউকে সংরক্ষিত আসনের এমপি করা হতে পারে বল গুঞ্জন রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কপাল পুড়তে পারে বর্তমান সংরক্ষিত এমপি আদিবা আনজুম মিতার। তবে তিনি এবারও মনোনয়ন পেতে তদবির করছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় এই নেত্রী হঠাৎ সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হন। তাঁকে নিয়ে কোনো আলোচনা ছিল না। এমপি হয়েও তাঁর রাজনীতি ছিল ঢাকাকেন্দ্রিক।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, একাদশ সংসদে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে পৃথক নারী এমপি করা হয়েছিল। এবার রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে একজনকেই সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বর্তমান দুই সংরক্ষিত এমপিই বাদ পড়তে পারেন। আসতে পারে নতুন মুখ। তাই এবার রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শাহীন আক্তার রেনীর এমপি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তিনি জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের পুত্রবধূ এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের সহধর্মিণী। তিনি এমপি হবেন এমন আলোচনা অনেক দিন ধরেই। এ ছাড়া এই পরিবারের আরেক নারী মালিহা জামান মালাও আছেন আলোচনায়। বর্তমানে তিনি মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

এ ছাড়া এবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হতে চান রাজশাহী মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সালমা রেজা, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইফফাত আরা কামাল, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মর্জিনা পারভীন, সাধারণ সম্পাদক নাসরিন আখতার মিতা, সহসভাপতি রোকসানা মেহেবুব চপলা, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক পূর্ণিমা ভট্টাচার্য, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য নিঘাত পারভীনসহ জেলা ও মহানগরের আরও কয়েকজন।

তবে ঘুরেফিরে আলোচনা শাহীন আকতার রেনীকে নিয়ে। তিনি এরই মধ্যে নারীনেত্রীসহ সমাজসেবী হিসেবেও নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। রাজশাহী মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ডেই রয়েছে তাঁর পদচারণ। আপদে-বিপদে শহরের নারীরা ছুটে আসেন তাঁর কাছে। এবার তাঁকেই এমপি করা হবে বলে ধারণা অনেকের।

শাহীন আকতার রেনী কোনো কারণে এমপি না হলে আসতে পারেন এই পরিবারের আরেক নারী মালিহা জামান মালা। তিনি সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের চাচাতো বোন। ২০০৪ সালে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তাঁর রাজনীতি শুরু। ছিলেন মহানগর মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ১০ বছর ধরে আছেন যুগ্ম সম্পাদকের পদে। এ ছাড়া তিনি মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। আগের কমিটিতেও তিনি এ পদে ছিলেন।

এ ছাড়া মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইফফাত আরা কামালকে নিয়েও কিছুটা আলোচনা রয়েছে। তাঁর স্বামী মোহাম্মদ আলী কামাল নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি এবার রাজশাহী-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশার জন্য তিনি সরে যান। সে হিসেবে সংরক্ষিত আসনের জন্য তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মালিহা জামান মালা বলেন, ‘আমি চাই আগে আমাদের ভাবি শাহীন আকতার রেনীর মূল্যায়ন হোক। তিনি না চাইলে আমি হতে চাই। কারণ, আমিও দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করছি। মানুষের সঙ্গে আছি। তাদের সেবার করার সুযোগ চাই। আমার ভাই খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে আলোচনা করব। তিনি যদি আমাকে মনোনয়নপত্র তুলতে বলেন তাহলে আমি তুলব। এখনো বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়নি।’

নারীনেত্রী শাহীন আকতার রেনী বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই চূড়ান্ত। সংরক্ষিত আসনের জন্য আমি মনোনয়নপত্র তুলব কি না, তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

নির্বাচনী প্রচারণা: প্রচারে আক্রমণ ছেড়ে প্রতিশ্রুতিতে জোর

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের ক্ষুদ্রঋণ মওকুফ করা হবে: তারেক রহমান

১২ তারিখ ধানের শীষের সঙ্গে ‘হ্যাঁ’ ভোটও দেবেন: তারেক রহমান

তারেক রহমান টাঙ্গাইলে আসছেন শনিবার

বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি, ভোট দিয়ে তা প্রমাণ করবেন: তারেক রহমান

যাদের কারণে দেশে ফেরা, কেউ কেউ তাদের স্বীকার করতে চান না: জামায়াত আমির

জামায়াত এখন আর সিনে নাই, শুধু আতঙ্ক ছড়াচ্ছে: সেলিমা রহমান

এনসিপির ইশতেহার: সব প্রতিষ্ঠানে মাতৃত্বকালীন ৬ মাস, পিতৃত্বকালীন ১ মাসের ছুটির অঙ্গীকার

বছরে ৩০ হাজার তরুণের সামরিক প্রশিক্ষণের অঙ্গীকার এনসিপির

এনসিপির ৩৬ দফা নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ, যা আছে এতে