হোম > রাজনীতি

নাশকতার মামলায় বিএনপি-জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাসহ দেড় হাজারের বেশি জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে রাজধানীতে সহিংসতার ঘটনায় বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপি ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাসহ দুই শতাধিক নেতা-কর্মীকে জামিন দেওয়া হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পৃথক বিচারকেরা পৃথক পৃথক আদেশে এই জামিন মঞ্জুর করেন। 

বিএনপি জামায়াতের নেতা-কর্মীরাই শুধু নন, এসব মামলায় গ্রেপ্তার প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি আসামিকে জামিন দেওয়া হয়েছে একই দিনে। 

বিএনপি নেতাদের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক নেতা-কর্মী জামিন পেয়েছেন। অন্যান্য আসামিরাও জামিন পেয়েছেন। তবে সঠিক হিসাব বলা সম্ভব নয়। যাঁদের জামিন আবেদন করা হচ্ছে, প্রত্যেকেই জামিন পাচ্ছেন। 

জামায়াত নেতাদের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ শীর্ষ নেতাদের জামিন দিয়েছেন আদালত। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জামিনপ্রাপ্ত বিএনপি নেতাদের মধ্যে রয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সায়েদুল আলম বাবুল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুর রহমান শিমুল, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন এ্যানী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। 

জামিনপ্রাপ্ত জামায়াত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য এবং গাজীপুর জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি ড. মো. সামিউল হক ফারুকী, শিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা। 

এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থও জামিন পেয়েছেন। আরও জামিন পেয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আসিফ মাহতাব। এ ছাড়া জামিন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের আহবায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।

বিকেলে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী বলেন, ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে খুনি হাসিনার পতন হয়েছে। পালিয়ে যেন তিনি পার না পেতে পারেন। তাঁকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। তিনি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দেশের ছাত্রজনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। 

যখনই আবেদন তখনই শুনানি

সকালেই সিদ্ধান্ত আসে রাজনৈতিক মামলায় যখনই জামিন আবেদন করা হবে, তখনই শুনানি হবে। এই সিদ্ধান্ত দেন ঢাকার জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। এ খবর পাওয়ার পরে সকাল থেকে রাজনৈতিক মামলায় আটক আসামিদের জামিনের আবেদন করতে থাকেন আইনজীবীরা। সকাল থেকেই শুনানি শুরু হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জামিনের আবেদন ও শুনানি চলতে থাকে। তবে জামিন হবে সেই সিদ্ধান্তের কারণে আগে থেকেই জামিননামা প্রস্তুত করে নিয়ে যান আইনজীবীরা। জামিনের আদেশের পরপরই জামিননামা আদালতে দাখিল হয়। আবার বিশেষ ব্যবস্থায় সঙ্গে সঙ্গে এসব জামিননামা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

বিএনপির চেয়ারম্যান হওয়ায় তারেক রহমানকে জি এম কাদেরের অভিনন্দন

বিরাজমান পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়: জামায়াত

নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত

বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান

আসিফ মাহমুদকে চেয়ারম্যান করে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন

তারেক রহমানের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূত ও অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বাসা থেকে হেঁটে অফিসে গেলেন তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হলেন নাজিমুদ্দিন

বিএনপির বিদ্রোহীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে ব্যবস্থা: নজরুল ইসলাম খান

রাতে স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান