বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ধানের শীষে ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ সিল মারার মাধ্যমে ‘স্বৈরাচারের জবাব’ দিতে হবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকপাড়া বিসিক শিল্পপার্কে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা সকল ধর্মের মানুষদের সঙ্গে নিয়ে শান্তিতে থাকতে চাই। আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় হচ্ছে সে বাংলাদেশের নাগরিক। ধর্মটা মুখ্য নয়। আমাদের কাছে মুখ্য বাংলাদেশের মানুষ। আমরা দেশে জনগণের শাসন কায়েম করতে পারি। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। দেশে ও জনগণের যে সমস্যা আছে সেটার সমস্যার সমাধান করতে পারি।’
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘সিরাজগঞ্জে ও পাবনায় অনেক কাজ আছে। সে কাজ করলে এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে ৷ এ জন্য আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। উত্তরাঞ্চল কৃষি নির্ভরশীল। আমরা পঞ্চগড় থেকে শুরু করে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত কৃষি নির্ভরশীল গড়ে তুলতে চাই। তখন এসব এলাকার তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।’
সিরাজগঞ্জে তাঁতশিল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি তাঁতশিল্পের কথা বলি তাহলে সবার আগে সিরাজগঞ্জের বিষয় মাথায় আসে। এ এলাকার মানুষ তাঁতশিল্পের সাথে জড়িত। আমরা তাঁতশিল্পের উৎপাদিত পণ্য সারা বিশ্বের কাছে পরিচিত করে দেব। পাবনা ও সিরাজগঞ্জের তাঁতপণ্য সারা বিশ্বে রপ্তানি করতে চাই। সেই সঙ্গে আমরা নারীদেরকেও স্বাবলম্বী করতে চাই।’
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আরও বলেন, ‘দেশ আমাদের অনেক দিয়েছে। ১৯৭১ ও ২০২৪ সালে বহু মানুষ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে।’
তিনি বলেন, মানুষ তার উপরেই ভরসা করে যার অভিজ্ঞতা আছে। মানুষ তার উপরে ভরসা করে যার উপরে ভরসা করা যেতে পারে। যে মানুষকে বিপদের সময় ফেলে রেখে চলে যায়নি। এসব গুণ বিএনপির মধ্যে আছে।
জনসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ সিরাজগঞ্জের পাঁচটি ও পাবনার পাঁচটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিয়ে ভোট চান তারেক রহমান।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রোমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর সঞ্চালনায় জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।