গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় চলতি সময়ে দেশের অপরাধ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং প্রায় সব ধরনের অপরাধ কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ সোমবার সচিবালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাসভিত্তিক অপরাধের পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়। সেখানে ডাকাতি, খুন, অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের তথ্য থাকে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাস পূর্ণ হয়েছে। এ সময়ের তথ্য গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। আমার কাছে যে পরিসংখ্যান এসেছে, তাতে দেখা গেছে ২০২৫ সালের তুলনায় অপরাধ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। প্রায় প্রতিটি ক্যাটাগরিতেই অপরাধ কমেছে।’
তবে এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তাঁর কাছে না থাকায় সেসব তথ্য তুলে ধরতে পারেননি বলে জানান তিনি।
পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের ভাবমূর্তি নিয়ে মূল্যায়ন করবে দেশের জনগণ। তবে সরকার পুলিশকে একটি জনবান্ধব বাহিনীতে রূপান্তর করতে পেরেছে বলে তারা মনে করে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশ সদস্যদের নৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন, যাতে তারা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আইন মেনে দায়িত্ব পালন করতে পারে। এ জন্য তাদের উৎসাহিত করাও জরুরি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা ‘রিওয়ার্ড অ্যান্ড পানিশমেন্টে’ বিশ্বাসী। ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং খারাপ কাজের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা থাকতে হবে।’ এর আগে পল্লবীতে এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের তদন্তে দায়িত্ব পালনকারী ৯ পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এ ছাড়া রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ফেরিঘাটে দায়িত্ব পালনকালে সম্ভাব্য বড় ধরনের প্রাণহানি প্রতিরোধে অবদান রাখায় তিন পুলিশ সদস্যকে এবং একটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও চার আসামিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দুজন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে নগদ ২০ হাজার টাকা ও সনদ দেওয়া হয়। গোয়ালন্দ ফেরিঘাটে দায়িত্ব পালনকারী তিন পুলিশ সদস্যকে আইজিপি ব্যাজ পরিয়ে সম্মাননা দেওয়া হয়।