হোম > জাতীয়

চিফ হুইপের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল। চিফ হুইপের কার্যালয়ে এ সাক্ষাতে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মিশনের উপপ্রধান মেগান বলডিন, রাজনৈতিক উপদেষ্টা এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ।

সাক্ষাৎকালে তাঁরা বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, গণতন্ত্রের উন্নয়ন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, বাণিজ্যিক সম্পর্ক, জাতীয় সংসদের অধিবেশন ও সংসদ ভবনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সব সময় আমাদের গণতান্ত্রিক যাত্রায় পাশে থেকেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চমৎকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের তৈরি পোশাকশিল্প খাতের বড় একটি বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল আইটি চাকরি তৈরির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তাতে প্রযুক্তিতে উন্নত যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সহযোগিতা করবে বলে আমি আশা করি।’

অর্থনৈতিক উন্নয়নে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি প্রান্তিক জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এগুলো বাস্তবায়নে গণতন্ত্রের যাত্রা মসৃণ হওয়া অত্যাবশ্যক। গণতন্ত্র না থাকলে কোনো ক্ষেত্রেই উন্নয়ন করা সম্ভব নয়।

মো. নূরুল ইসলাম আরও বলেন, সংসদ হলো গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র। গণতন্ত্রের প্রতীক এই ভবনের নির্মাতা লুই আই কানকে জনগণ সব সময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

মেগান বলডিন বলেন, এটি দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের একটি শক্তিশালী প্রতীক। আমেরিকান স্থাপত্যের ছাত্ররা প্রায়ই এই ভবনটি দেখার ইচ্ছা পোষণ করে। কারণ, এটি লুই কানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে পরিচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব সময় প্রতিটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে।

এ ছাড়া প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের শ্রম আইন সংস্কারের প্রশংসা করে এবং একে ওয়াশিংটনে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়। দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে দুর্নীতি দমন, পরিবেশ রক্ষা এবং বন্য প্রাণী পাচার রোধের মতো গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক ব্যাধি মোকাবিলার জন্য পাঁচ বছরে ৯০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তার কথাও উল্লেখ করা হয়।

গণতন্ত্র এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্ক আলোচনায় জোর দিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ একটি বন্ধুপ্রতিম গণতান্ত্রিক দেশ এবং এর অর্থনৈতিক সংস্কারগুলো আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগে আরও উৎসাহিত করবে। দুই দেশের মধ্যকার এই সম্পর্ক কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং টেকসই হবে।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক পরিচয়ে অনেক আ. লীগ নেতা নির্যাতনে জড়িত ছিলেন: তথ্যমন্ত্রী

ফায়ার সার্ভিসকে আধুনিকায়ন করতে লোকবলসহ স্টেশন বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭০ বাংলাদেশি

হকারদের ফুটপাত ও সড়ক বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে হাইকোর্টের রুল

সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বিচারাধীন মামলার দ্রুততম নিষ্পত্তি: প্রধানমন্ত্রী

সরকারি কর্মীদের জন্য নতুন আইন হচ্ছে

বিআরটিএর সিদ্ধান্ত: রাইডশেয়ারিংয়ে ভাড়া ঠিক করার সুযোগ হারাল যাত্রী

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে হাইকোর্টের রুল

গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে রুল শুনানি ১৭ জুন

এই সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী