শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা নিহতের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘গতকাল বুধবার শেরপুরে একটা ঘটনা ঘটেছে। প্রচারণা-সম্পর্কিত আচরণবিধিতে একটি বিধান রাখা হয়েছে যে প্রার্থীরা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইশতেহার পাঠ করে নির্বাচনী প্রচারণা করবেন।
‘কিন্তু সেখানে একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে এবং তার ধারাবাহিকতায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ওখানকার ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
গতকাল বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান জানান, সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মারা যান।