কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। সেই রিট খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আজ বুধবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
তাঁর আইনজীবী হামিদুল মিসবাহর ভাষ্য অনুযায়ী, আবেদনে ইসির ১৭ জানুয়ারির সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্ত বহাল চাওয়া হয়।
এর আগে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নামে থাকা ঋণখেলাপির তালিকা স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। যাতে তাঁকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে হাইকোর্টের আদেশ ৮ জানুয়ারি আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। চেম্বার আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। তবে শুনানি শেষে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ ১৪ জানুয়ারি বহাল রাখেন চেম্বার আদালত। সেই সঙ্গে দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। ঋণখেলাপির তথ্য গোপন করার অভিযোগে শুনানি শেষে ১৭ জানুয়ারি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। যার কারণে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিএনপির এই প্রার্থী। তবে শেষরক্ষা হলো না।