হোম > জাতীয়

জুলাই জাদুঘরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম লিপিবদ্ধ থাকবে: স্পিকার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জুলাই জাদুঘর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জাতির সংগ্রামের জন্য ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এই জাদুঘর যত দিন টিকে থাকবে, তত দিন এ দেশের মানুষের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম লিপিবদ্ধ থাকবে।’

আজ মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন স্পিকার।

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান যুগ যুগ ধরে বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে এবং জাদুঘরটি হবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য এক বিশাল সম্পদ বলে উল্লেখ করেন স্পিকার। তিনি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন ‘কলঙ্কিত ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন মাফিয়া শাসক শেখ হাসিনা যে সরাসরি তাঁর বাহিনীকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেই অডিও কল রেকর্ড এই জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। এই জাদুঘর যত দিন টিকে থাকবে, দেশের মানুষ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের মুখে থুতু দেবে। গণতন্ত্র রক্ষার জন্য মানুষ যে হাসিমুখে জীবন দিতে পারে, এই জাদুঘর তারই প্রমাণ হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকবে।’

স্পিকার বলেন, ‘এখানে বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের মহৎ ইতিহাস—একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ জুলাই-আগস্টের মহান গণ-অভ্যুত্থানের চিত্র অত্যন্ত চমৎকারভাবে ধারণ করা হয়েছে।’

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এখানকার প্রদর্শনী দেখলে অশ্রু সংবরণ করা কঠিন। যেভাবে এ দেশের তরুণ ও শিশুরা গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছে, তা সারা বিশ্বের জন্য এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। এখানে শহীদদের লেখা কিছু চিঠি সংরক্ষিত আছে, যা তাঁরা বুক পকেটে নিয়ে রাজপথে এসেছিলেন। তাঁরা জানতেন যে মৃত্যু হতে পারে, তবু তাঁরা হেসে হেসে মৃত্যুর মোকাবিলা করেছেন।’

স্পিকার বলেন, হেলিকপ্টার থেকে শিশুদের ওপর গুলি চালানো কিংবা আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের মতো ছাত্রদের হাসিমুখে বুক পেতে দেওয়ার দৃশ্যগুলো সবাইকে আবেগাপ্লুত করবে। ১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা ও তাঁর গোষ্ঠী যেভাবে পাতানো নির্বাচন ও লুটপাট চালিয়েছে, তার চিত্র এখানে দেখা যাবে। এই জাদুঘর যত দিন থাকবে, মানুষ এখানে এসে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাবে এবং গণতন্ত্র রক্ষার অনুপ্রেরণা লাভ করবে।

পরিদর্শনকালে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী লং ওয়াক টু ডেমোক্রেসি রোডে ১৯৭১ থেকে ১৯৯১ সালের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার স্থিরচিত্র দেখেন। এ ছাড়া তাঁরা জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত আনাসের কবিতা, বিভিন্ন ম্যুরাল ও গ্রাফিতি, কোটা আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ও শহীদ আবরার ফাহাদের স্মৃতি কর্নার পরিদর্শন করেন।

এ সময় শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভীনের হাতে তৈরি সংসদ ভবনের মিনিয়েচার, সৌদিপ্রবাসী আবু ইসহাকের রক্তমাখা জামাসহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের ব্যবহার্য দ্রব্যসামগ্রী, রক্তমাখা কাপড় দেখে তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে স্পিকারকে অবহিত করেন এবং এই স্মৃতি জাদুঘরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

দূষণ নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন পরিবেশমন্ত্রী

১২ সংসদে বেসরকারি সদস্যদের আনা বিল পাস হয়েছে ৯টি

বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা: আনিস-সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পেছাল

হাওরের দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনার দাবি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আরও ৩ প্রসিকিউটর নিয়োগ

দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়, টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ঈদুল আজহায় চাঁদাবাজি ঠেকাতে হটলাইন চালু করছে সরকার

শাহজালাল বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে যুক্ত হতে আগ্রহী তুরস্ক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওআইসিভুক্ত দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সমর্থন প্রত্যাশা

কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী