প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। তিনি বলেছেন, ‘জনগণের শান্তি নষ্ট করে ১৭৩ দিন হরতাল পালন করবে, সেই সুযোগ আমরা আর কাউকে দেব না।’
আজ সোমবার বিকেলে যশোর জেলার ঈদগাহ প্রাঙ্গণে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুজুর ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।
প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘দেশে জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। আসুন, আমরা নিজেদের সতর্ক রাখব, যাতে আর কেউ দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে। জনগণের শান্তি নষ্ট করে ১৭৩ দিন হরতাল পালন করবে, সেই সুযোগ আমরা আর কাউকে দেব না।’
সমাবেশে বিগত আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের আত্মত্যাগ, নিপীড়ন-নির্যাতন, মিথ্যা মামলার পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে সরকার দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সব ক্ষমতার উৎস হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ এবং সেই জন্যই বিএনপি শহীদ জিয়ার রেখে যাওয়া যে কাজ, অসমাপ্ত যে কাজ, সেই কাজ সম্পন্ন করতে চায় দেশের মানুষের স্বার্থে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া যে অসমাপ্ত কাজ, বিগত ২০ বছর ধরে যারা স্বৈরাচারী ছিল, যারা ছিল ক্ষমতায়, তারা সে কাজগুলো জনগণের জন্য করেনি। তাই যে কাজটি বেগম খালেদা জিয়া শুরু করেছিলেন, আবার ২০ বছর পরে তাঁর দল বিএনপি সেই কাজ জনগণের জন্য শুরু করেছে।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ, সে জন্যই আমরা জনগণের জন্য যে কাজ, যে কাজ করলে জনগণ উপকৃত হবে, সেই কাজগুলো বিএনপি করে। সেই ধাবাবাহিকতায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার জনকল্যাণমুখী অনেক কাজ বিএনপি আবার শুরু করেছে।’
যশোর জেলা বিএনপির উদ্যোগে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যুগ্ম মহাসচিব পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রমুখ বক্তব্য দেন।