আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জরিপ পরিচালনা করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি (আইআইএলডি)। এর ভিত্তিতে তারা বলছে, প্রাপ্ত জনমতের ভিত্তিতে বিএনপি জোটের চেয়ে জামায়াত জোট ৪টি আসনে এগিয়ে। আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে ৭৫টি আসনে।
আইআইএলডির ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬: প্রাক্-নির্বাচনী জনমত জরিপে’ বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ১০১ আসন ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ১০৫ আসনে জয়ী হবে। এ ছাড়া দলগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ৭৫টি আসনের মধ্যে। স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য দল পাবে ১৯টি আসন। তবে আসনগুলোর নাম তারা প্রকাশ করেনি।
আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর পুরানা পল্টনের ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের সিন্ডিরপুর হলে আইআইএলডি, প্রজেকশন বিডি এবং জাগরণ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। আটটি বিভাগের ৩০০ আসন থেকে ৬৩ হাজার ৬১৫ জন জরিপে অংশগ্রহণ করেন।
আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহিন জরিপে প্রাপ্ত ফলাফল তুলে ধরে বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন ৯২ দশমিক ৯ শতাংশ, ইচ্ছা পোষণ করেননি ৪ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার এবং সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলেন ২ দশমিক ৭ শতাংশ।
জরিপে এগিয়ে-পিছিয়ে থাকার বিষয়টি বাছাই করা হয়েছে অংশগ্রহণ করতে চাওয়া প্রায় ৯৩ শতাংশ ভোটারের জবাব থেকে। জরিপে দেখা যায়, জোটভিত্তিক সমর্থনে বিএনপি জোটকে ৪৪ দশমিক ১ শতাংশ ও জামায়াতে ইসলামী জোটকে ৪৩ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ সমর্থন দিয়েছেন। জাতীয় পার্টির জোটের প্রতি সমর্থন মাত্র ১ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সিদ্ধান্ত নেননি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার।
শফিউল আলম শাহিন জানান, আসনগুলোতে ‘ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে কোন দলকে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি?’—এমন প্রশ্নে মতামত নিলে বিএনপি ১০১ আসন ও জামায়াত জোট ১০৫ আসন পাবে বলে জরিপে উঠে আসে। এর মধ্যে ৭৫টি আসনে তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জানিয়েছেন তিনি।