হোম > জাতীয়

কওমি মাদ্রাসা সরকারি করার সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের সরকারি বেতন স্কেলের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাতের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

হাবিবে মিল্লাত তাঁর প্রশ্নে কওমি মাদ্রাসাগুলোকে সরকারি বেতন স্কেলের আওতায় আনতে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে কি না জানতে চান। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসাগুলো সরকারি বেতন স্কেলের আওতায় আনতে এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।’ 

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নুর এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি কাঠামো সংগ্রহ করা হয়েছে।’ 

কাঠামোগুলো পর্যালোচনার কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পর্যালোচনা শেষে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত নীতিমালা/গাইডলাইন প্রণয়ন করা হবে। তা ছাড়া, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ৯(৪) ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা পূর্ণকালীন শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম শতকরা ৩ ভাগ আসন প্রত্যন্ত অনুন্নত অঞ্চলের মেধাবী অথচ দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য সংরক্ষণ করে এসব শিক্ষার্থীকে টিউশন ফি ও অন্যান্য ফি ব্যতীত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সুযোগ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।’ 

এই বিধান অনুযায়ী মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীরা স্বল্প বেতনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে লেখাপড়া করছেন বলেও জানান দীপু মনি।

সরকারি কর্মীদের জন্য নতুন আইন হচ্ছে

বিআরটিএর সিদ্ধান্ত: রাইডশেয়ারিংয়ে ভাড়া ঠিক করার সুযোগ হারাল যাত্রী

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে হাইকোর্টের রুল

গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে রুল শুনানি ১৭ জুন

এই সরকার মহাকাশ প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে নেয়নি: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

কোরবানির ঈদে সংবাদপত্রে পাঁচ দিনের ছুটি

বিসিবির অ্যাডহক কমিটি নিয়ে রিটের শুনানি ২১ মে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের নারী এমপিদের বৈঠক

পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এ ধরনের কথা শুনে আমরা অভ্যস্ত: সিইসি