হোম > জীবনধারা > জেনে নিন

বর্ষাকালে মসলা টাটকা রাখবেন যেভাবে

ফিচার ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

বর্ষা মানে স্যাঁতসেঁতে আর্দ্র আবহাওয়া। এই সময় শুধু কাপড় কিংবা আসবাব নয়, রান্নাঘরের মসলাও তরতাজা ভাব হারায়। দেখা যায়, হলুদ, মরিচ বা ধনেগুঁড়া শক্ত হয়ে দলা বেঁধে গেছে। ফলে মসলার সুগন্ধ আর আগের মতো থাকে না। এমনকি অসাবধানতায় ছত্রাকের সংক্রমণ হয়ে যেতে পারে। মসলা ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে খুব সহজে সেই আর্দ্রতা পাত্রের ভেতরে ঢুকে পড়ে। তবে কিছু কাজ করলে বর্ষাকালেও মসলা টাটকা রাখা যায়।

সম্পূর্ণ শুকনা পাত্র ব্যবহার

মসলা রাখার আগে পাত্রটি ভালোভাবে ধুয়ে পুরোপুরি শুকিয়ে নিন। কারণ, অল্প পরিমাণ পানি সব মসলা নষ্ট করে দিতে পারে। তাই ধোয়ার পর পাত্রটি ভালোভাবে শুকানোর আগে কখনো মসলা রাখবেন না। পুরোনো মসলার ওপর নতুন মসলা বারবার ঢালবেন না। আগে পাত্রটি খালি করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন, তারপর নতুন মসলা রাখুন।

সঠিক মাপের এয়ারটাইট পাত্র

এমন এয়ারটাইট পাত্র বেছে নিন, যার ঢাকনা শক্তভাবে বন্ধ হয়। মসলার ব্যবহার অনুযায়ী পাত্রের আকার নির্বাচন করুন। যেমন ছোট পাত্রে এলাচি, লবঙ্গ ও বিশেষ মসলা, মাঝারি পাত্রে হলুদ, মরিচও ধনেগুঁড়া এবং বড় পাত্রে রাখুন অতিরিক্ত মজুত করা মসলা। ছোট পাত্রে আর্দ্র বাতাস কম ঢোকে। আর কাচের স্বচ্ছ জারে মসলা সহজে দেখা যায়।

চুলা ও পানি থেকে মসলা দূরে রাখা

চুলার ওপরের অংশে মসলা রাখা সুবিধাজনক হলেও সেখানে সব সময় গরম ও ভাপ থাকে। চুলার ওপরে কিংবা পাশে, সিঙ্কের পাশে, ডিশওয়াশারের কাছে, রোদযুক্ত জানালার পাশে এবং স্যাঁতসেঁতে দেয়ালের পাশের মতো জায়গাগুলো এড়িয়ে চলুন। এর বদলে রান্নাঘরের শুকনা তাক বা আলমারি কিংবা পরিষ্কার কাউন্টার বা শেলফে মসলার বয়াম রাখুন।

সব সময় শুকনা চামচ ব্যবহার করা

ভেজা চামচ ব্যবহারে সহজে মসলায় আর্দ্র হয়ে যেতে পারে। তাই ভেজা চামচ ব্যবহার, ভেজা হাতে মসলা ধরা, ভেজা টেবিলে চামচ রাখা এবং হাতে নেওয়া অতিরিক্ত মসলা আবার জারে ফিরিয়ে দেওয়া—এসব ভুল করবেন না। চামচ ভিজে গেলে অন্য শুকনা চামচ ব্যবহার করুন।

আগুনের ওপর মসলার জার না ধরা

ফুটন্ত রান্নার ভাপ সরাসরি খোলা মসলার জারে ঢুকে যেতে পারে। এ জন্য শুকনা চামচ দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী মসলা নিয়ে শুকনা বাটিতে রাখুন, সঙ্গে সঙ্গে মসলার পাত্র বন্ধ করুন, এরপর রান্নায় মসলা দিন। এতে বাকি মসলা ভালো থাকে এবং অতিরিক্ত মসলা পড়ার ঝুঁকিও কমে।

অল্প অল্প মসলার ব্যবহার

অনেক মসলা একসঙ্গে কিনলে বারবার বড় পাত্র খুলতে হয়। ফলে সেগুলো আর্দ্র হয়ে যায় দ্রুত। তাই প্রতিদিনের জন্য একটি ছোট জার ব্যবহার করুন।

এ ছাড়া অতিরিক্ত মসলা আলাদা এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। ছোট জার খালি হলে ধুয়ে শুকিয়ে আবার তাতে মসলা রাখুন।

গোটা মসলা কেনা

গুঁড়া মসলার তুলনায় জিরা, ধনে, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচির মতো গোটা মসলা বেশি দিন সুগন্ধ ধরে রাখতে পারে। এগুলোও শুকনা এবং এয়ারটাইট পাত্রে রাখুন।

সতর্কতা

মসলায় ছত্রাক দেখা গেলে, পোকা থাকলে, ভেজা দাগ থাকলে, পানির ফোঁটা জমলে, রং অনেক বদলে গেলে এবং বাজে কিংবা স্যাঁতসেঁতে গন্ধ এলে সেই মসলা ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন অথবা ফেলে দিন। শুধু দলা বাঁধলেই মসলা নষ্ট হয় না। তবে এটি আর্দ্রতার লক্ষণ হতে পারে। ছত্রাকযুক্ত বা সন্দেহজনক মসলা স্বাদ নিয়ে পরীক্ষা না করাই ভালো।

সূত্র: নেস্টকেস এবং অন্যান্য

এলাচির ১০ গুণ জেনে নিন

হাড় শক্ত রাখতে ব্যায়ামের পর পান করুন এক গ্লাস দুধ

খরচ বাঁচাতে বাড়িতেই করুন হেয়ার স্পা, সুফল পেতে যে কাজগুলো করা থেকে বিরত থাকতে হবে

জেনে নিন বর্ষাকালে কোন ধরনের সাবান ব্যবহার করা ভালো

সঙ্গীর এডিএইচডি রয়েছে কি না যেভাবে বুঝবেন ও যা করবেন

বরফ না গলিয়ে যে ৫ খাবার রাঁধবেন না

চোখের নিচের কালো দাগ ও ফোলা ভাব দূর করার ঘরোয়া উপায়

সাঁঝবেলায় রাতের খাবার: টিকটকের ট্রেন্ড নাকি ঘুমের সমাধান

বর্ষায় ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ রাখবেন যেভাবে

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে জাপানিজ ‘ওগাকুজু-বুরো’ বা এনজাইম বাথ, বিষয়টি আসলে কী