আকিকা নবজাতক শিশুর আগমনে শুকরিয়া আদায়ের অন্যতম মাধ্যম। আকিকা ইসলামি ঐতিহ্যের অংশ। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নতও এটি। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নাতি হাসান ও হোসাইনের পক্ষ থেকে দুটি করে বকরি জবেহ করেছেন।’ (সুনানে আবু দাউদ)
এ ছাড়া আকিকা শিশুর কল্যাণের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। আলেমদের অনেকেই আকিকা করাকে সুন্নতে মুআক্কাদাহ বলেছেন।
আকিকা আদায়ের মাধ্যমে নানাবিধ আধ্যাত্মিক ও জাগতিক কল্যাণ অর্জিত হয়:
আকিকা সঠিকভাবে আদায়ের জন্য কিছু নিয়ম ও সময় অনুসরণ করা সুন্নত:
হজরত বুরায়দা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘সপ্তম দিন বা চতুর্দশ দিন অথবা একুশতম দিন আকিকা কর।’ (জামে তিরমিজি)
এই সময়গুলোর মধ্যেও সম্ভব না হলে জীবনের যেকোনো সময় তা আদায় করে নেওয়া যায়।
উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) পুত্রসন্তানের জন্য দুটি ও কন্যাসন্তানের জন্য একটি পশু আকিকা করার নির্দেশ দিয়েছেন। (জামে তিরমিজি)
সপ্তম দিনে আকিকা দেওয়ার পাশাপাশি শিশুর মাথা মুণ্ডন করা এবং তার সুন্দর নাম রাখা সুন্নত।
চুলের ওজন পরিমাণ রুপা বা তার সমমূল্য সদকা করাও একটি মুস্তাহাব আমল।