হোম > বিশ্ব > ভারত

নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধেই ৮ লাখ কোটি রুপি ঋণ নেবে মোদি সরকার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ভারত সরকার নতুন অর্থবছরের শুরুতেই ৮ লাখ কোটি রুপির বেশি ঋণ নেবে। প্রতীকী ছবি

ভারত আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ৮ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন বা ৮ লাখ ২০ হাজার কোটি রুপি (৮৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার) ঋণ নেবে। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে ভারত সরকার এ তথ্য জানিয়েছে। এটি পুরো ১২ মাসের জন্য নির্ধারিত ঋণের প্রায় অর্ধেক। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারত সরকার নতুন অর্থবছরের জন্য তাদের মোট ঋণ গ্রহণ কর্মসূচি কমিয়ে ১৬ দশমিক ০৯ ট্রিলিয়ন রুপিতে নামিয়েছে, যা ১ ফেব্রুয়ারির বাজেটে ঘোষিত ১৭ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন রুপি থেকে কম। একই সঙ্গে অতি দীর্ঘমেয়াদি সিকিউরিটি বন্ডের মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার পরিমাণও কমানো হয়েছে। এই পদক্ষেপ সার্বভৌম বন্ডের সুদের হার আরও বাড়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। এক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এসব বন্ডের ফলন প্রায় দুই বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঋণের প্রায় ২৫ শতাংশ হবে ৩০–৫০ বছর মেয়াদি বন্ডের মাধ্যমে। আগের অক্টোবর-মার্চ সময়ে এই হার ছিল প্রায় ২৯ শতাংশ। গত ১ ফেব্রুয়ারির বাজেটে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ঋণ ধরা হয়েছিল ১৭ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন রুপি। তবে পরে সরকার ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন রুপির স্বল্পমেয়াদি বন্ড দীর্ঘমেয়াদিতে রূপান্তর করায় এই পরিমাণ কমিয়ে ১৬ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন রুপিতে নামানো হয়েছে।

ব্লুমবার্গের এক হিসাবে ভারতীয় অর্থবছরের প্রথমার্ধে ৮ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন রুপি ঋণ নেওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারের পরিকল্পিত ঋণ তার চেয়ে কম। তবে এটি চলতি অর্থবছরে বন্ড বিক্রির মাধ্যমে সংগৃহীত ৭ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন রুপির চেয়ে বেশি।

শুক্রবার ভারতের ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের প্রবৃদ্ধি ২৫ জুলাই ২০২৪ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর পেছনে সরকারের জ্বালানি তেলের ওপর আবগারি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত ভূমিকা রেখেছে। আর্থিক বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান ইমকে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডের হিসাব অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্তে বছরে প্রায় ১ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন রুপির রাজস্ব ঘাটতি হতে পারে।

এর ফলে বন্ড বাজারে চাপ বজায় থাকতে পারে। গত এক সপ্তাহে বন্ডের ফলন প্রায় ২০ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে। উচ্চ তেলের দাম মূল্যস্ফীতি বাড়াবে এবং সরকারের আর্থিক অবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করবে—এমন আশঙ্কাই এর মূল কারণ।

সরকার আরও জানিয়েছে, প্রথমার্ধের মোট ঋণের ২৯ শতাংশ আসবে ১০ বছর মেয়াদি বন্ড থেকে। ১৫ বছর মেয়াদি বন্ডের অংশ হবে ১৪.৫ শতাংশ। ৫ বছর মেয়াদি বন্ডের অংশ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫.৪ শতাংশ। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ দশমিক ৮৮ ট্রিলিয়ন রুপি।

ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে ভিয়েতনামের চুক্তি, নিতে চায় ইন্দোনেশিয়াও

ভারতে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টকে লালগালিচা সংবর্ধনা, আলোচনা হবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে

মমতার ডাকে ৮০ বিধায়কের মধ্যে এলেন মাত্র ২০, শেষ পর্যন্ত বাতিল বৈঠক

কলেবর বাড়ছে শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার, ঠাঁই পেতে পারেন রুদ্রনীল

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অমিত শাহর নীলনকশা, কী আছে এতে

ভারতের নয়া চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল রাজা সুব্রামানি

পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে আটক ৪০০ জন, চলছে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রচেষ্টা

মমতার ভাতিজা অভিষেককে চড়-থাপ্পড়, ডিম-পাথর নিক্ষেপ

ভারতে ডিটেনশন সেন্টারে যাওয়ার ভয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে ভিড় করছেন কথিত অভিবাসীরা

আইটি চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে, জমিতেই প্রাণ গেল প্রযুক্তিবিদের