হোম > বিশ্ব > ভারত

কলকাতায় শুরু হলো বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ টানতে আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের প্রতিনিধি ছাড়াও ভারতের নামকরা শিল্পপতিরা এতে অংশ নিচ্ছেন। 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জানান, বিনিয়োগকারীদের শিল্পের উপযুক্ত পরিবেশ দিয়ে সহায়তা করবে রাজ্য সরকার। জমি নিয়েও কোনো সমস্যা হবে না। সম্মেলনের উদ্বোধন করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর রাজ্যে শিল্পের পরিবেশ তৈরির জন্য মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। 

বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে যোগ গিয়ে গতকাল মঙ্গলবারই ভারতে আসেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে একান্তে বৈঠকও করেন। বাংলাদেশ ছাড়াও আমেরিকা, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, ভুটান, অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, জাপান, কেনিয়ার প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছেন দুদিনের এই বাণিজ্য সম্মেলনে। সম্মেলনকে ঘিরে উৎসবের মেজাজে সেজে উঠেছে গোটা কলকাতা। 

উল্লেখ্য, কোভিডের কারণে গত দু-বছর স্থগিত ছিল কলকাতার এই বাণিজ্য সম্মেলন। সম্মেলনে লজিস্টিক হাব তৈরি বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, সরকারি অর্থ অপচয়ের উৎসব হচ্ছে কলকাতায়। আসলে কোনো বিনিয়োগ আসবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি আসেননি। 

ভারতীয় শিল্পপতিদের মধ্যে রয়েছেন-আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম আদানি, উইপ্রো কর্ণধার আজিম প্রেমজি, রিলায়েন্স গোষ্ঠীর মুকেশ অম্বানী প্রমুখ। 

সত্যিকারের বন্ধুত্বে মতবিরোধ থাকতে পারে, ট্রাম্প-মোদি প্রসঙ্গে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে খুন ১৮ বছরের তরুণের

মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা শনাক্তে এআই টুল আনছে মহারাষ্ট্র সরকার

নিজের চরকায় তেল দাও—মামদানিকে ভারতের তিরস্কার

মহারাষ্ট্রের স্বার্থে ট্রাম্পকে সমর্থন করতেও প্রস্তুত: রাজ ঠাকরে

বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

বঙ্গোপসাগরে চীনের ওপর নজরদারি বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতের নতুন নৌঘাঁটি

যুক্তরাষ্ট্রে সড়কপথে জয়শঙ্করের ৪০০ মাইলের রুদ্ধশ্বাস যাত্রা, নেপথ্য কাহিনি

৫ বছর পর ফের ভারতের সরকারি কাজে চীনা ঠিকাদাররা, বাড়ছে সম্পর্কের উষ্ণতা

‘শিবাজি: হিন্দু কিং ইন ইসলামিক ইন্ডিয়া’ বইয়ের জন্য ক্ষমা চাইল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস