হোম > বিশ্ব > ভারত

যে যুক্তিতে পরীক্ষা কেন্দ্রে বোরকা নিষিদ্ধের দাবি বিজেপি নেতার

প্রতীকী ছবি।

মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী বিজেপি নেতা নিতীশ রানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রে মুসলিম ছাত্রীদের বোরকা পরার ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আজ বুধবার রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী দাদা ভুসেকে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি এই দাবি জানান।

নিতীশ রানে চিঠিতে লেখেন, ‘পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীদের বোরকা পরার অনুমতি দেওয়া হলে তা অসদুপায় (নকল) অবলম্বনের সুযোগ তৈরি করতে পারে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।’

রানে আরও লেখেন, ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বোরকা পরার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। প্রয়োজনে পরীক্ষার হলে তল্লাশি চালানোর জন্য নারী পুলিশ বা নারী পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা যেতে পারে। এই পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এটি স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কোনো রকম অসদুপায় অবলম্বন ছাড়াই অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।’

তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘পরীক্ষার সময় বোরকা পরতে দিলে পরীক্ষার্থীদের গোপনে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা অন্য উপকরণ ব্যবহারের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। এ ছাড়া, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে এবং অন্য পরীক্ষার্থীদের সমস্যায় ফেলতে পারে।’

বিজেপির এই বিধায়ক মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকারের মৎস্য ও বন্দর উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন। তবে, রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাঁর চিঠির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

বিক্ষোভ থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-অখিলেশকে গাড়িতে তুলল পুলিশ

ককরোচ আন্দোলনের মুখে ‘ত্রুটিহীন’ পরীক্ষাব্যবস্থার নির্দেশনা মোদির

এবার মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব কৃষকেরা, দিল্লির আগে মিছিল আটকে দিল পুলিশ

দাম্পত্যকলহে স্বামীর প্রতিষ্ঠানে স্ত্রীর অভিযোগ দেওয়া সবচেয়ে খারাপ: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

পুলিশের লাঠিপেটার এক দিন পর ফের দিল্লির জন্তর মন্তর দখল ‘ককরোচদের’

পার্লামেন্টের বাইরে ‘ককরোচ’দের ও ভেতরে বিরোধী দলের আন্দোলনের মুখে মোদি সরকার

৫০ বার চেষ্টা করেও মেলেনি সরকারি চাকরি, স্বর্ণপদকজয়ী তরুণের আত্মহত্যা

দিল্লিতে সংসদ অভিমুখে ককরোচদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের টিয়ার গ্যাস ও লাঠিপেটা

‘ককরোচদের’ সংসদ চলো কর্মসূচিতে উত্তপ্ত দিল্লি, অনশন ভাঙতে ওয়াংচুকের ৩ শর্ত

গালি দেওয়াকে ‘অশ্লীলতা’ বলা যায় না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট