হোম > বিশ্ব > ভারত

ইন্দিরা ও রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডকে ‘দুর্ঘটনা’ বললেন বিজেপি মন্ত্রী

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ড আদতে ‘দুর্ঘটনা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন উত্তরাখন্ডের বিজেপি দলীয় মন্ত্রী গণেশ জোশি। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রী বলেন, শহীদ হওয়া গান্ধী পরিবারের একচেটিয়া অধিকার নয়।  

জোশি উত্তরাখন্ডের কৃষি, কৃষক কল্যাণ, পল্লি উন্নয়ন ও সেনা কল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি রাহুল গান্ধীর বুদ্ধিমত্তার জন্য করুণা করি। শহীদ হওয়া গান্ধী পরিবারের একচেটিয়া অধিকার নয়। গান্ধী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যা ঘটেছিল, তা ছিল দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনা ও শাহাদাতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।’ 

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, গত সোমবার জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ পদযাত্রা কর্মসূচির সমাপনীতে রাহুল গান্ধীর একটি বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জোশি। এ ছাড়া জম্মু-কাশ্মীরে রাহুল গান্ধীর পদযাত্রা সুষ্ঠুভাবে শেষ হওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কৃতিত্ব দেন উত্তরাখন্ডের বিজেপির এই মন্ত্রী।

শ্রীনগরে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে, দাদি ইন্দিরা গান্ধী ও বাবা রাজীব গান্ধী নিহত হওয়ার তথ্য ফোনে জানার সময়ের কথা স্মরণ করেন রাহুল। কংগ্রেসের এই নেতা বলেন, ‘সহিংসতার উসকানিদাতা কখনোই এই এই ব্যথা বুঝতে পারবেন না। যেমন মোদিজি, অমিত শাহ, বিজেপি, আরএসএস—এ ব্যথা কখনোই বুঝবে না। এই ব্যথা যে কী, তা একজন সেনাসদস্যের পরিবার বুঝবে, পুলওয়ামায় নিহত সিআরপিএফ কর্মীর পরিবার বুঝবে, আর বুঝবে কাশ্মীরিরা।’  

মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিল মোদি সরকার

ভারতীয়দের শিগগির ইরান ত্যাগের নির্দেশ

কর্ণাটকে ঘুড়ির সুতায় গলা কেটে মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

মমতা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন: ভারতীয় মন্ত্রী

সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো ভাষণের নতুন রেকর্ড গড়েছে ভারত

বাংলাদেশের বাহিনীগুলোর কোনো পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে নয়: ভারতীয় সেনাপ্রধান

চলচ্চিত্র ইস্যুতে থালাপতি বিজয়ের পাশে রাহুল, জোটের রাজনীতি নিয়ে গুঞ্জন

বাংলাদেশের তিন পাশে এবার পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত

হাজারো মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে দেশের আইনেরও তোয়াক্কা করছে না ভারত

ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি জানুয়ারির শেষে—দিল্লি সফরে জার্মান চ্যান্সেলর