হোম > বিশ্ব > ভারত

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশকে ভালোবাসেন, কিন্তু...

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশকে ভালোবাসেন বলে এক বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ওই ভাষণ দেন তিনি। বাংলাদেশের মানুষকে ভালোবাসলেও তিস্তার পানি চুক্তি নিয়ে নিজস্ব চিন্তাভাবনার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী। 

হিন্দুস্থান টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিধানসভার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যকে দুই ভাগ করতে চাইছেন বলেও অভিযোগ করেছেন মমতা। 

বাংলাদেশের সঙ্গে পানি বণ্টন নিয়ে তিনি মত দিয়েছেন—তিস্তার পানি ভাগাভাগি করার অর্থ হবে ‘উত্তরবঙ্গকে পানীয় জল থেকেও বঞ্চিত করা’। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। কিন্তু তিস্তা নদীতে বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করার মতো পর্যাপ্ত পানি নেই। উত্তরবঙ্গের মানুষ পানীয় জল পাবে না। আমি এমন কিছু হতে দেব না।’ 

এর আগে গত জুনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পাঠানো একটি চিঠিতে মমতা লিখেছিলেন, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন এবং ফারাক্কা চুক্তি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অংশগ্রহণ ছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা উচিত হবে না। বিধানসভা ভাষণে মমতা জানান, তিনি দিল্লিতে সাম্প্রতিক নীতি আয়োগ সভায় ভারত-ভুটান নদী কমিশন গঠনেরও দাবি করেছিলেন। 

ভাষণে বিজেপির নিন্দা করে মমতা অভিযোগ করেন, দলটি বাংলাকে দুই ভাগ করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ‘বিজেপির অবস্থান পরিষ্কার। আমরা চাই না পশ্চিমবঙ্গ বিভক্ত হোক বা পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খন্ডের কিছু জেলা নিয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হোক।’

মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিল মোদি সরকার

ভারতীয়দের শিগগির ইরান ত্যাগের নির্দেশ

কর্ণাটকে ঘুড়ির সুতায় গলা কেটে মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

মমতা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন: ভারতীয় মন্ত্রী

সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো ভাষণের নতুন রেকর্ড গড়েছে ভারত

বাংলাদেশের বাহিনীগুলোর কোনো পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে নয়: ভারতীয় সেনাপ্রধান

চলচ্চিত্র ইস্যুতে থালাপতি বিজয়ের পাশে রাহুল, জোটের রাজনীতি নিয়ে গুঞ্জন

বাংলাদেশের তিন পাশে এবার পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত

হাজারো মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে দেশের আইনেরও তোয়াক্কা করছে না ভারত

ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি জানুয়ারির শেষে—দিল্লি সফরে জার্মান চ্যান্সেলর