হোম > বিশ্ব > ভারত

সত্যিকারের বন্ধুত্বে মতবিরোধ থাকতে পারে, ট্রাম্প-মোদি প্রসঙ্গে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ভারতের নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। ছবি: পিটিআই

ভারতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ভাষণেই ভারত-মার্কিন সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রসায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, প্রকৃত বন্ধুদের মধ্যেও দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু তাঁরা সব সময় আলোচনার মাধ্যমে সেই মতপার্থক্য মিটিয়ে ফেলেন।

আজ সোমবার দুপুরে দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত।’

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ইঙ্গিত দেন, আগামী এক বা দুই বছরের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পুনরায় ভারত সফরে আসতে পারেন। এ ছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উদ্ধৃতি দিয়ে গোর বলেন, ২০২৬ সাল হবে পারস্পরিক বিনিময়ের বছর। এর অর্থ হলো—ন্যায্য বাণিজ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন গোর। তিনি জানান, এই চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুই পক্ষের মধ্যে পরবর্তী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে সার্জিও গোর একটি বড় ঘোষণা দেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ ও উন্নত প্রযুক্তির নতুন জোট ‘প্যাক্স সিলিকা’তে যোগ দেওয়ার জন্য আগামী মাসে ভারতকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই জোটে ইতিমধ্যে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারতকে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে ‘অপরিহার্য অংশীদার’ হিসেবে বর্ণনা করে গোর বলেন, ‘বিশ্বের প্রাচীনতম গণতন্ত্র ও বৃহত্তম গণতন্ত্রের এই মেলবন্ধনকে আমি এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।’ বাণিজ্য ছাড়াও নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, জ্বালানি ও কৃত্রিম মেধার (এআই) মতো ক্ষেত্রগুলোতে দুই দেশ হাতে হাত রেখে কাজ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই শুল্ক ও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কিছুটা স্নায়ুযুদ্ধ চলছে। তবে নতুন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের এই বক্তব্য বরফ গলার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদেরা।

ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি জানুয়ারির শেষে—দিল্লি সফরে জার্মান চ্যান্সেলর

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে খুন ১৮ বছরের তরুণের

মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা শনাক্তে এআই টুল আনছে মহারাষ্ট্র সরকার

নিজের চরকায় তেল দাও—মামদানিকে ভারতের তিরস্কার

মহারাষ্ট্রের স্বার্থে ট্রাম্পকে সমর্থন করতেও প্রস্তুত: রাজ ঠাকরে

বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

বঙ্গোপসাগরে চীনের ওপর নজরদারি বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতের নতুন নৌঘাঁটি

যুক্তরাষ্ট্রে সড়কপথে জয়শঙ্করের ৪০০ মাইলের রুদ্ধশ্বাস যাত্রা, নেপথ্য কাহিনি

৫ বছর পর ফের ভারতের সরকারি কাজে চীনা ঠিকাদাররা, বাড়ছে সম্পর্কের উষ্ণতা

‘শিবাজি: হিন্দু কিং ইন ইসলামিক ইন্ডিয়া’ বইয়ের জন্য ক্ষমা চাইল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস