হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

রাশিয়ার আকাশ ব্যবহারে বিমান সংস্থাগুলোকে সতর্ক করলেন জেলেনস্কি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবি: এএফপি

রাশিয়ার আকাশসীমা ব্যবহারকারী এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন ড্রোন হামলা আরও বাড়ালে রুশ আকাশসীমা কার্যত বন্ধ হয়ে পড়তে পারে। তিনি এয়ারলাইনস, বিমা কোম্পানি ও রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ব্যবহারকারীদের ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে দেওয়া ভিডিও ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার আকাশ এখন ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। তবে ইউক্রেন বেসামরিক বিমান চলাচলকে লক্ষ্যবস্তু করতে চায় না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তাঁর ভাষায়, ‘কোনো বেসামরিক বিমানকে’ হুমকি দেওয়ার উদ্দেশ্য ইউক্রেনের নেই এবং নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানিও তারা চায় না। তবে রাশিয়ার আকাশে বিপুলসংখ্যক ড্রোন থাকবে, যা বিবেচনায় নিতে হবে।

মস্কো ও সেন্ট পিটার্সবার্গের মতো বড় শহরের বিমানবন্দরগুলোতে চলাচলকারী এয়ারলাইনসগুলোর প্রতি বিশেষ সতর্কতা জারি করেন জেলেনস্কি। ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে এরই মধ্যে রাশিয়ার বড় কয়েকটি বিমানবন্দরে বারবার ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রাখতে হয়েছে। আজ বুধবারও (২ সেপ্টেম্বর) বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিলের খবর পাওয়া গেছে।

রাশিয়ার ‘কোভিয়র’ বা ‘কার্পেট’ নামে পরিচিত বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার আওতায় কোনো এলাকায় ড্রোন শনাক্ত হলে সেখানে বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ কারণে বিমানবন্দর সরাসরি লক্ষ্যবস্তু না হলেও ড্রোন হামলা ব্যাপকভাবে বিমান চলাচল ব্যাহত করতে পারে।

বিমান চলাচলের ঝুঁকি বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ওসপ্রে ফ্লাইট সলিউশনস জানিয়েছে, ইউক্রেনের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সীমান্তের ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে হলেও রাশিয়ার গভীরে হামলা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি স্বল্প মেয়াদে এসব হামলার মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জেলেনস্কির বক্তব্যকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের ঘোষণা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে সাংবাদিকদের পুতিন বলেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনা করা যায় না।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর অধিকাংশ পশ্চিমা এয়ারলাইনস রুশ আকাশসীমা এড়িয়ে চলছে। তবে তুরস্ক, চীন ও উপসাগরীয় দেশগুলোর কয়েকটি এয়ারলাইনস এখনো এই পথ ব্যবহার করে। এ পথে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হয়।

যুদ্ধের ঝুঁকির কারণে ইউক্রেন ২০২২ সাল থেকেই বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য নিজস্ব আকাশসীমা বন্ধ রেখেছে। ২০১৪ সালে পূর্ব ইউক্রেনে যুদ্ধের সময় রুশ নির্মিত ক্ষেপণাস্ত্রে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের এমএইচ ১৭ বিধ্বস্ত হয়ে ২৯৮ জন নিহত হন। ২০২৪ সালে রুশ আকাশসীমায় একটি বাণিজ্যিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পুতিন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।

ট্রাম্পের অনুরোধে ৪ বছর ধরে বন্দী মার্কিনকে মুক্তি দিলেন পুতিন

শরিয়াহ তহবিলের অর্থ গেছে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যায় সহায়তাকারী ৫ প্রতিষ্ঠানে

‘ব্রিটেনের অহংকার’ সম্মাননা পেলেন বিখ্যাত হার্ট সার্জন, কে এই আসিফ হাসান

হ্যারিকে নিয়ে কী ছিল ডায়ানার উদ্বেগ—প্রকাশ পেতে পারে নতুন প্রামাণ্যচিত্রে

প্যারিসসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘কারফিউ’ জারি করল ফরাসি সরকার

রুশ আক্রমণের ভয়ে সীমান্তে ১০ লাখ স্থলমাইন বসাতে চায় ফিনল্যান্ড

দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ‘কারফিউ’ জারি হচ্ছে ফ্রান্সে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ গ্রহণ করেননি মাখোঁ, বিক্ষোভ সামলাতে নতুন কৌশলের নির্দেশ

চীনের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞায় কেন ক্ষতিগ্রস্ত ইউক্রেন

ইউরোপের ৬ দেশে মানুষ কেন রাজপথে, কেন এত সহিংসতা