হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

কর্মী ছাঁটাইয়ের ‘কঠিন সিদ্ধান্তে’র পর পদ ছাড়ছেন ওয়াশিংটন পোস্টের প্রধান নির্বাহী

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

উইলিয়াম লুইস। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন বিখ্যাত সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টের প্রধান নির্বাহী পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন উইলিয়াম লুইস। পত্রিকাটি নিজেই এই ঘোষণা দিয়েছে। ব্যাপক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত তদারক করার কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর বিদায়ের খবর এল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

গত বুধবার ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, তারা মোট কর্মীর এক-তৃতীয়াংশ ছাঁটাই করছে। এর ফলে ক্রীড়া সংবাদ এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ কাভারেজ বড় আকারে কমিয়ে আনা হচ্ছে। লুইস বলেছেন, এখনই সরে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। কর্মীদের উদ্দেশে পাঠানো এক বার্তায় তিনি জানান, পত্রিকার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কিছু ‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিতে হয়েছে। সেই বার্তাটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে।

এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন অনেক সাংবাদিক। একই সঙ্গে পত্রিকার ধনকুবের মালিক জেফ বেজোসের দিকেও সমালোচনার তির ধেয়ে যাচ্ছে। তবে নির্বাহী সম্পাদক ম্যাট মারে বলেছেন, এই ছাঁটাই পত্রিকায় ‘স্থিতিশীলতা’ আনবে। পত্রিকাটি জানিয়েছে, উইলিয়াম লুইসের বিদায়ের পর ভারপ্রাপ্ত প্রকাশক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন জেফ ডি’অনোফ্রিও। তিনি গত বছর ওয়াশিংটন পোস্টে প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।

উইলিয়াম লুইস আগে ডাও জোন্সের প্রধান নির্বাহী ছিলেন। তিনি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রকাশক হিসেবেও কাজ করেছেন। ২০২৩ সালে তাঁকে ওয়াশিংটন পোস্টের শীর্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। দৈনিক পত্রিকাটির আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে লুইসকে গ্রাহক ও কর্মীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।

ব্যাপক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে পত্রিকার সদর দপ্তরের সামনে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করেন। এই ছাঁটাইয়ের মধ্যে ছিল পত্রিকার পুরো মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক এবং কিয়েভভিত্তিক ইউক্রেন সংবাদদাতার পদও। ২০২১ সাল পর্যন্ত ওয়াশিংটন পোস্টের নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন মার্টি ব্যারন। তিনি বলেছেন, এই ছাঁটাই ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা সংবাদ প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলোর একটি।’

লুইসের বিদায় ওয়াশিংটন পোস্টের সাম্প্রতিক অস্থিরতার আরেকটি অধ্যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পত্রিকাটি একের পর এক কর্মী ছাঁটাই এবং বিতর্কিত সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে গেছে। ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে, আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস কয়েক দশকের প্রথা ভেঙে সিদ্ধান্ত নেন, ওয়াশিংটন পোস্ট কোনো প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে সমর্থন দেবে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৭০-এর দশক থেকে অধিকাংশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পত্রিকাটি কোনো না কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে আসছিল। যাঁদের সবাই ছিলেন ডেমোক্র্যাট দলের। এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাপক সমালোচনা হয়। একই সঙ্গে পত্রিকাটি কয়েক হাজার গ্রাহক হারায়। এর মধ্যেই গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মতামত সম্পাদক পদত্যাগ করেন। কারণ, বেজোস সিদ্ধান্ত নেন যে পত্রিকার মতামত বিভাগে ‘ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং মুক্ত বাজার’কেন্দ্রিক লেখা বেশি গুরুত্ব পাবে।

এরপর ২০১৩ সালে ওয়াশিংটন পোস্ট কিনে নেওয়া জেফ বেজোস বলেন, এই দৃষ্টিভঙ্গির বিরোধী লেখা আর প্রকাশ করা হবে না।

এবার রুশ সংযোগের তথ্য, পুতিনের সঙ্গেও কি দেখা হয়েছিল এপস্টেইনের

বাংলাদেশের হিন্দুরা সংগঠিত হলে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস আরএসএস প্রধানের

ট্রাম্পের শান্তি পরিষদের প্রথম বৈঠকের তোড়জোড়, হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি

রাশিয়ার মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুরি হামলার শিকার ভারতীয় শিক্ষার্থীরা, নেপথ্যে কী

ইসলামাবাদ হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ আটক, ভারত সংশ্লিষ্টতার দাবি পাকিস্তানের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু ইস্যুতে আলোচনা ‘ভালোভাবে শুরু’, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে অনড় ইরান

১৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র: জেলেনস্কি

থাইল্যান্ড নির্বাচন: ভোট গ্রহণ শুরু, সংবিধান সংশোধনে হ্যাঁ-না গণভোটও চলছে

মার্কিন হামলা হলে ইরানকে সহায়তায় প্রস্তুত হাজার হাজার ইরাকি

তোশাখানা-২ মামলায় ইমরান খানের ১৭ বছরের কারাদণ্ড, ‘কম সাজা’ বলছেন আদালত