হোম > সারা দেশ > ঠাকুরগাঁও

দক্ষ জনশক্তি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: শিল্পমন্ত্রী

পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: আজকের পত্রিকা

দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁও বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বর্তমান জনশক্তিকে দক্ষ করে তুলে তাঁদের উৎপাদনশীল কাজে নিয়োজিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁওয়ে এই বিশেষায়িত বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো স্থানীয়ভাবে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের এক বিশাল বাজার ও ক্ষেত্র তৈরি করা।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী নতুন উদ্যোক্তাদের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে জানান, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা তাঁদের সৃজনশীল শিল্পের ভাবনা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। তাঁরা এখানে প্লট বরাদ্দ নিয়ে নতুন নতুন শিল্পকলকারখানা স্থাপন করবেন, যা দেশের বেকারত্ব নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

শিল্পমন্ত্রী জানান, প্রায় ৫০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২৫১টি প্লট রয়েছে। উদ্যোক্তারা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী এক বা একাধিক প্লট নিয়ে এখানে শিল্প গড়ে তুলবেন। এই শিল্প পার্কটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে এখানে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, বিসিক শিল্পনগরীর বিভিন্ন উদ্যোক্তা এবং জেলা বিএনপির স্থানীয় নেতারা।

এরপর দুপুরে পঞ্চগড় বিসিক শিল্পনগরী ও পঞ্চগড় সুগার মিল পরিদর্শন শেষে শিল্পমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, দেশের সব বন্ধ মিল পুনরায় চালু করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু এই চিনিকল নয়, দেশে এ ধরনের ১৫টি চিনিকল রয়েছে, যার মধ্যে ৬টি বন্ধ। এ ছাড়াও আরও অনেক সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে। আমরা প্রতিটি মিল চালু করতে চাই।’

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এই মিল চালু করা শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এটি এই অঞ্চলের মানুষের আবেগের বিষয়। যখন মিল চালু ছিল, তখন বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছিল। তাই প্রতিটি শিল্পকারখানা সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের কাছে আবেগের জায়গা। একটি মিল চালু থাকলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, রাজস্ব আহরণের সুযোগ তৈরি হয় এবং সরকারের বিনিয়োগের সুফল জনগণ পায়। একই সঙ্গে বন্ধ মিলের কারণে সৃষ্ট ঋণ পরিশোধের পথও তৈরি হয়।

মন্ত্রী জানান, মিল চালুর বিষয়ে সরকার তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রথমত, আখচাষিদের স্বার্থ রক্ষা। দ্বিতীয়ত, শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং তৃতীয়ত, মিলকে লাভজনকভাবে পরিচালনা করা, যাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় না হয়।

আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় মিলের বিভিন্ন স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। সংস্কার ছাড়া এখানে কোনো কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়। তাই সব দিক বিবেচনায় নিয়ে সম্ভাব্য বিকল্পগুলো খতিয়ে দেখা হবে।

এ সময় পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে একই দিনে এক স্কুলের চার ছাত্রী নিখোঁজ

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা মূল্যের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

ঠাকুরগাঁওয়ে বাসের ধাক্কায় আহত পারুলের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ হাজার ইয়াবাসহ মামা-ভাগনে গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাকচাপায় মা-ছেলে নিহত

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশকে পিটিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু, দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল: তিনটি মেশিন বন্ধ, ভোগান্তি

ঠাকুরগাঁওয়ে বাক্প্রতিবন্ধী নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের সূর্যপুরী আমের জিআই স্বীকৃতির দাবি