টাঙ্গাইলের বাঘিল ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের কৃষক মো. সোলায়মান মিয়া (৬০) ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন এবং বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদসহ সম্পত্তি বেদখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সোলায়মান জানান, তাঁরা পৈতৃক ও ক্রয় সূত্রে ৫১ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছেন। ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত খাজনা খারিজও দেওয়া আছে। গত ২৬ এপ্রিল ওই গ্রামের মৃত গোল মাহমুদের ছেলে মো. কোরবান আলী, মো. আব্দুল গফুর, মো. হাবিবুর রহমান, হাবিবুর রহমানের ছেলে আব্দুর রউফ, আব্দুল গফুর, তাঁর ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী সোলায়মানের বাড়িতে প্রবেশ করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় বাধা দিলে সোলায়মানকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর শুরু করা হয়। একপর্যায়ে পিটিয়ে তাঁর ডান হাত ভেঙে ফেলা হয়।
সোলায়মানের আত্ম চিৎকারে তাঁর মেজ ছেলে এগিয়ে আসলে তাঁকেও অভিযুক্তরা বেধড়ক মারধর করেন। পরে তাঁদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর অভিযুক্তরা চলে যাওয়ার সময় সোলায়মান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।
সোলায়মান হোসেন বলেন, ‘কোরবান আলী গং এলাকায় সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েম করেছেন। আমার মতো গ্রামের অনেকেই তাঁদের কারণে অনিরাপদ। আমরা শান্তিতে বসবাস করতে চাই। তাই এলাকা থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দূর করার দাবি জানাচ্ছি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
অভিযুক্ত আব্দুল গফুর বলেন, সোলায়মানরাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে বেড়ায়। ওই জমি আমরা ডিক্রি পেয়েছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-সোলায়মান মিয়ার ছেলে মো. আবু মিয়া, মো. রাশেদুল ইসলাম ও ভাগনে মো. আব্দুর রহিম।