একটি মারামারির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার সাক্ষী হওয়ায় ওই মামলার আসামি পক্ষের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন সাক্ষীদাতার ছেলে মো. সুজন মিয়া (৩১)। আজ সোমবার দুপুরে মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের লহরী নোওয়াগাঁও গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, লহরী নোওয়াগাঁও গ্রামের খলিল উদ্দিনের সঙ্গে একই গ্রামের নুর মিয়ার প্রায় দেড় মাস আগে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একটি মারামারির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে খলিল উদ্দিন বাদী হয়ে নুর মিয়াকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় সাক্ষী ছিলেন আশিক আলী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন নুর মিয়া।
নুর মিয়া প্রায়ই আশিক আলীকে দেখলে গালিগালাজ করতেন। গতকাল রোববার সকালে আশিক আলীর একটি গরু নুর মিয়ার বাড়িতে গেলে নুর মিয়ার লোকজনের সঙ্গে আশিক আলীর লোকজনের কথা-কাটাকাটি ও মারামারি হয়। এর জেরে গতকাল সন্ধ্যায় আশিক আলীর ছেলে সুজন মিয়াকে একা পেয়ে নুর মিয়ার লোকজন কিল-ঘুষি মারতে থাকে। পরে তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার তিনি মারা যান।
জগন্নাথপুর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি ও আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’