দুপুরে মাথার ওপর রোদ। বেলকুচির খামার উল্লাপাড়া এলাকার মাঠে তখন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত কৃষক নুর নবী। কাদামাটিতে পা ডুবিয়ে সারি ধরে এগোচ্ছেন তিনি। হঠাৎ তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালেন সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। জুতা খুলে তিনিও নুর নবীর সঙ্গে ধান রোপণ শুরু করেন। রাজনীতির মঞ্চ ছেড়ে কয়েক মিনিটের জন্য কৃষক হয়ে ওঠেন তিনি।
আজ বুধবার বেলা ১টার দিকে নুর নবীর ধানখেতে আমিরুল ইসলামকে কাজ করতে দেখা যায়।
ধানখেতে কাজ করতে করতে নুর নবী বলেন, জীবনে অনেক নির্বাচন দেখছেন। কিন্তু কোনো এমপি প্রার্থীকে ধানখেতে নেমে চারা রোপণ করতে দেখেননি। নেতারা যদি পাশে থাকেন, তাহলে চাষাবাদ আরও সহজ হবে।
ধান রোপণ শেষে আমিরুল ইসলাম বলেন, মাঠে না নামলে কৃষকের কষ্ট বোঝা যায় না। এই অঞ্চলের কৃষক যেন ফসলের ন্যায্যমূল্য পান, সেচ, সার ও বাজার ব্যবস্থাপনায় ভোগান্তি না থাকে, এটাই তাঁর লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এই এলাকার মানুষের বহুদিনের দাবি একটি সেতু। তিনি নির্বাচনে জিতলে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, একজন প্রার্থীকে এভাবে কাদায় নেমে কাজ করতে দেখে তাঁরা অবাক হয়েছেন। এতে প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের দূরত্ব কিছুটা হলেও কমেছে। আইয়ুব আলী নামের এক ব্যক্তি বলেন, খামার উল্লাপাড়ার করতোয়া নদীর ওপর সেতু হলে কৃষকদের অনেক উপকার হবে। নদীর ওপারেই তাঁদের বেশির ভাগ ফসলি জমি।
এর আগে খামার উল্লাপাড়া বাজারে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করে ধানের শীষে ভোট চান আমিরুল ইসলাম।