হোম > সারা দেশ > সিরাজগঞ্জ

যমুনার পানি বৃদ্ধিতে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র নদীভাঙন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র নদীভাঙন। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ৩৬ সেন্টিমিটার ও কাজীপুর মেঘাইঘাট পয়েন্টে ২৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নে জালালপুর গ্রামে তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০টি বাড়িঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি, তাঁত কারখানা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় এলাকাবাসী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পেতে ঘরসহ আসবাব অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। আগামী চার-পাঁচ দিন যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক হাসানুর রহমান বলেন, গত কয়েক দিন হলো যমুনা নদীতে পানি বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ৩৬ সেন্টিমিটার ও কাজীপুর মেঘাইঘাট পয়েন্টে ২৫ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানির বিপৎসীমা ধরা হয় ১৩ দশমিক ৩৫ মিটার। রোববার সকাল ৬টায় এই পয়েন্টে পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮৪ মিটার। গত ২৪ ঘন্টায় (গত শনিবার সকাল ৬টা থেকে গতকাল রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত) যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ৩৬ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জালালপুর গ্রামের সমাজসেবক আব্দুস সালাম বলেন, রোববার দুপুরে হঠাৎ করে জালালপুর গ্রামে নদীভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে দিনু পোদ্দার, শহিদুল ইসলাম, ইমান আলী, খলিলুর রহমান, আনোয়ার হোসেনের বাড়িসহ ১০টি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনের খবরটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবগত করা হয়েছে। যেভাবে নদী ভাঙছে তাতে বাড়িঘর রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

অপরদিকে কাজীপুর মেঘাইঘাট পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ধরা হয় ১৫ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার। রোববার সকাল ৬টায় এই পয়েন্টে পানি রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৬৫ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় (গত শনিবার সকাল ৬টা থেকে গতকাল রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত) এই পয়েন্টে ২৫ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামে নদীভাঙনের খবরটি আমরা পেয়েছি। সেখানে  অফিসের কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। ভাঙনরোধে তাঁরা কাজ শুরু করবেন। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। আগামী চার-পাঁচ দিন নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। তবে এই মুহূর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই।’

তুচ্ছ ঘটনার জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

সিরাজগঞ্জে সাংবাদিকের বাড়িতে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ

কামারখন্দে শিয়ালের কামড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

সিরাজগঞ্জের ৬ আসন: কেউ কোটিপতি, কারও বার্ষিক আয় লাখ টাকা

বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েও পরীক্ষা দিলেন মেয়ে

যমুনা রেলসেতু-ঈশ্বরদী রেলপথে একাধিক স্থানে রেলহেডে ভাঙন

সিরাজগঞ্জের কলেজছাত্র হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাভার থেকে গ্রেপ্তার

৭০০ কেজি ভেজাল গুড় ধ্বংস

নারী কর্মীদের ‘ড্রয়িংরুম বৈঠক’, জামায়াত নেতাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

সিরাজগঞ্জে কলেজছাত্রকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যায় আটক ৩