পবিত্র ঈদুল আজহার আগে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখী মানুষের চাপ ছিল যমুনা সেতু ও সংযোগ মহাসড়কে। ঈদযাত্রার ছয় দিনে সেতুটি দিয়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ২০ কোটি ৪১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৫০ টাকা। যমুনা সেতু সাইট অফিস ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার (২২ মে) থেকে গতকাল বুধবার (২৭ মে) পর্যন্ত ছয় দিনে এই বিপুলসংখ্যক যানবাহন সেতু পারাপার করেছে।
সর্বশেষ বুধবার ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩২ হাজার ৯০৭টি এবং পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ১২ হাজার ৯৮৬টি যানবাহন চলাচল করে। দুই প্রান্ত মিলিয়ে ৪৫ হাজার ৮৮৯টি যানবাহন সেতুটি ব্যবহার করে। ওই দিন টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭১ হাজার ৩৫০ টাকা। এর আগে মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়। সেদিন টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা। সোমবার পারাপার হয় ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন এবং টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।
রোববার ৩৯ হাজার ৯১৯টি যানবাহন পারাপারের বিপরীতে টোল আদায় হয় ৩ কোটি ২৫ লাখ ১৫ হাজার ৬৫০ টাকা। শনিবার ৩২ হাজার ৬৪৯টি যানবাহন পারাপার করে, টোল আদায় হয় ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা। আর ঈদযাত্রার প্রথম দিন শুক্রবার সেতুটি ব্যবহার করে ৩৪ হাজার ৯৬৬টি যানবাহন। ওই দিন টোল আদায় হয়েছিল ৩ কোটি ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪০০ টাকা।
ঈদযাত্রার ব্যস্ত সময়েও যমুনা সেতুর পশ্চিম তীর ও সিরাজগঞ্জ অংশে দীর্ঘ সময়ের বড় ধরনের যানজট দেখা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, চার লেন মহাসড়ক ও হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জ চালু থাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ তুলনামূলক সহজে সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন পৃথক পৃথক দিনের টোল আদায় ও যানবাহনের পারাপারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।