ঈদুল আজহার ছুটি শেষে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন। এতে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুতে ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন রুটে বাসভাড়াও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
যমুনা সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার শেষ ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে, অর্থাৎ ঢাকামুখী লেনে মোট ২২ হাজার ৯৭১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ১৮ লাখ ৪২ হাজার ৮৫০ টাকা।
অন্যদিকে পূর্ব প্রান্ত দিয়ে, অর্থাৎ উত্তরবঙ্গগামী লেনে ১২ হাজার ৪২১টি যানবাহন চলাচল করেছে। এ খাতে টোল আদায় হয়েছে ৮৯ লাখ ৩৯ হাজার ১৫০ টাকা।
সব মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু ব্যবহার করেছে মোট ৩৫ হাজার ৩৯২টি যানবাহন। এ সময়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদ-পরবর্তী সময়ে ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ বাড়ছে। সেতুর উভয় প্রান্তে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কড্ডার মোড় এলাকায় দেখা যায়, ঢাকাসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার জন্য যাত্রীরা বাসের অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে বাসের সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন অনেকেই।
যাত্রী সুরাইয়া জাহান বলেন, ‘সকাল থেকেই বাসের জন্য অপেক্ষা করছি। চন্দ্রাগামী বাসে স্বাভাবিক সময়ে ভাড়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা লাগে, এখন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। তবু ঠিকমতো বাসের সিট পাওয়া যাচ্ছে না।’
আরেক যাত্রী আবুল কালাম বলেন, ‘ময়মনসিংহ যেতে দাঁড়িয়ে গেলে ৫০০ টাকা ভাড়া চাওয়া হচ্ছে, আসনে বসে যেতে চাইলে আরও বেশি দিতে হচ্ছে।’