শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ার ছয় দিন পর জাহিদ নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল তিনজনে। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মিতু আক্তার।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৮ এপ্রিল তীব্র জ্বর, কাশিসহ হামের উপসর্গ নিয়ে জয়নাল মিয়ার ১০ মাস বয়সী ছেলে জাহিদকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগেই ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তার মৃত্যু হয়।
জাহিদ সদর উপজেলার আংগারিয়া এলাকার বাসিন্দা।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬৭ জন চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে ৪২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা হাসপাতালে ৬৯ জন চিকিৎসাধীন আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছে। এর মধ্যে সদর হাসপাতালে বর্তমানে ২০ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।
সদর হাসপাতালের আরএমও মিতু আক্তার বলেন, প্রতিদিনই হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী হাসপাতালে আসছে। হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা আইসোলেশন কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জাহিদ নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে তার পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি।
জেলা সিভিল সার্জন রেহান উদ্দিন বলেন, শরীয়তপুরে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি দুজনের পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি।