রংপুরের গঙ্গাচড়ায় উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকা ও তিস্তা নদীর পরিস্থিতি দেখতে আজ বুধবার দুপুরে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শন দলে ছিলেন এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ভাস্কর কান্তি চৌধুরী, ভবন ব্যবস্থাপনা ও সেতু বাস্তবায়ন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী তাপস চক্রবর্তী, আবু মুসাসহ কর্মকর্তারা।
এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা বাঁধ রক্ষায় নির্মিত বাঁশের পাইলিং করা স্পারসহ নদীর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। কর্মকর্তারা নদীর গতিপ্রকৃতি, ভাঙনের বর্তমান অবস্থা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এলজিইডির কর্মকর্তারা জানান, বিশেষজ্ঞ দলের মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় চলমান ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী বলেন, ‘গত বছর বুয়েটের একজন প্রকৌশলীর গবেষণালব্ধ ধারণার ভিত্তিতে বাঁশ পাইলিং করে সেতু রক্ষা বাঁধের কাজ করা হয়েছিল। চলতি বছর আবারও ভাঙন দেখা দেওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’
এবাদত আলী বলেন, ‘আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বুয়েটের নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করে ভাঙন রোধে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে।’
এদিকে উজানের ঢলে বেড়ে যাওয়া তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, আজ বেলা ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।