হোম > সারা দেশ > রংপুর

শরীর টিপে নেওয়ার জন্য ডেকে মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি

প্রতীকী ছবি

রংপুরের কাউনিয়ায় একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগও উঠেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাউনিয়া থানার পরিদর্শক শিহাব উদ্দিন বলেন, এ ব্যাপারে আজ মঙ্গলবার ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক শরীর টিপে নেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে তাঁর কক্ষে ডেকে নেন। ম্যাসাজের একপর্যায়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন ওই শিক্ষক। বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতিও দেখানো হয় শিক্ষার্থীকে।

এরপর গতকাল সোমবার রাতে ওই শিক্ষার্থীকে তাঁর কক্ষে ডেকে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ওই শিক্ষার্থী কৌশলে কক্ষ থেকে বের হয়ে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্বজনদের জানায়। পরে রাতেই স্বজনেরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ঘটনাটি জানালে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়।

অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আজ সকালে সালিস করার কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসার পরিচালকের ছেলের জিম্মায় রেখে ক্লাসে যান অন্য শিক্ষকেরা। পরে সালিসের আগে অভিযুক্ত শিক্ষককে গোপনে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনা জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলে, মাদ্রাসার ওই হুজুর প্রায়ই রাতে ডেকে নিয়ে শরীর টিপে নেওয়ার নামে খারাপ কাজ করতেন। রাজি না হলে রড ও পাইপ দিয়ে মারধর করতেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল, কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের মহতামিম বলেন, ‘গতকাল রাতে শিশুটির স্বজনেরা এসে মাদ্রাসার পরিচালককে খুঁজছিলেন। পরে আমি ঘটনার বিষয়ে জানতে পারি। রাতে ওই শিক্ষককে আটকে রাখা হয়েছিল। এরপর আজ সকালে কীভাবে পালিয়ে গিয়েছেন, জানি না।’

মাদ্রাসার পরিচালক জানান, গতকাল রাতে তাঁকে জানানো হয়—শিশুটিকে মারধর করেছেন হুজুর। এরপর আজ ভোরে জানতে পারেন—শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ নিয়ে তো মামলা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে সত্যতা পেলে অভিযুক্তকে বিচারের মুখোমুখি করুক।

গঙ্গাচড়ায় বিএনপি নেতাকে মারধর ও কার্যালয় ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রংপুরে পৃথক অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৩

বিড়ির ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি নেতাকে মারধর ও কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ

রংপুরের পীরগঞ্জ: পানি নেই, আমনের খেত ফেটে চৌচির

তীব্র দাবদাহে আমনখেতে ফাটল, ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

পূজামণ্ডপে ডেকোরেশনের সরঞ্জাম খুলতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে যুবকের মৃত্যু

কাউনিয়ায় ফখরুল হত্যা মামলায় আসামি গ্রেপ্তার

পীরগঞ্জে বাসের ধাক্কায় নিহত ১, মহাসড়ক অবরোধ

রংপুরে বাড়ির সামনে ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাজছে রংপুর, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি