হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

মন্ত্রিত্বের আলোচনায় তাঁরা

 রিমন রহমান, রাজশাহী

মিজানুর রহমান মিনু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস

ভোটের লড়াই শেষ হতেই রাজশাহী বিভাগজুড়ে শুরু হয়েছে নতুন হিসাব-নিকাশ। এই অঞ্চল থেকে কারা মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ব্যাপক আলোচনা। দলীয় আনুগত্য, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও কেন্দ্রের আস্থা—এসব বিবেচনায় সাতজন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের নাম ঘুরছে আলোচনায়। নেতা-কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল বাড়ছে।

বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, এটি প্রায় নিশ্চিত বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এখন প্রশ্ন, তাঁর মন্ত্রিসভায় রাজশাহী বিভাগ থেকে আর কারা থাকছেন। বিএনপির নেতা-কর্মীরা এই বিভাগের সাতজনকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত চারজন মন্ত্রী হবেন বলেও তাঁরা আশা করছেন।

নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মন্ত্রিত্বের জন্য রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে নির্বাচিত ফারজানা শারমিন পুতুল, নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সিরাজগঞ্জ-২ (কামারখন্দ-সদর) আসনের ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, পাবনা-৫ (সদর) আসনের শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ও জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) থেকে নির্বাচিত আব্দুল বারী রয়েছেন আলোচনায়।

মিজানুর রহমান মিনু বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা। ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন তিনি এবং টানা ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেন। মেয়র থাকা অবস্থায় সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন। তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক ও স্থানীয় সরকার অভিজ্ঞতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে ধারণা করছেন নেতা-কর্মীরা।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু জোট সরকারের সময়ে ভূমি উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকও ছিলেন। যদিও পরে সেই পদ থেকে বাদ পড়ায় কিছুটা অনিশ্চয়তার কথাও শোনা যাচ্ছে।

মন্ত্রিত্বের আলোচনায় এগিয়ে আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। এ ছাড়া বগুড়া থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে ঘিরেও আলোচনা রয়েছে।

এদিকে রাজশাহী বিভাগের সব জেলা থেকে মন্ত্রী দেওয়ার দাবি উঠছে। নেতাদের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। দীর্ঘ সময়েও এই অঞ্চলে পূর্ণ মন্ত্রী না থাকায় উন্নয়ন বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এবার জোরালো দাবি জানানো হচ্ছে।

রাজশাহী জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম বলেন, ‘নির্বাচনের পর কে মন্ত্রী হচ্ছেন, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। শুনছি, কেউ কেউ ইতিমধ্যে ঢাকায় ডাক পেয়েছেন। আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা মিজানুর রহমান মিনুকে ঘিরে। স্থানীয় সরকার বিভাগে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান রাজশাহীর মানুষ।’

আসামির তালিকায় মৃত দুজন, নেই মূল হোতা দুলালের নাম

কুকুর জবাই করে খাসির মাংস বলে বিক্রির অভিযোগ

রাজশাহীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ১

বড়াইগ্রামে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ-গুলি, আহত ১০

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুজনের মৃত্যু: আহতের পরিবারের দাবি পিকনিকে হামলা, পুলিশ বলছে— বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ

বোনকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় প্রাণ দিতে হলো তরুণকে

রাজশাহী বিভাগে বিএনপি: অহংকারে পরাজয় ১১ প্রার্থীর

মারধরের শিকার সেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

রাজশাহীর বিভাগ: ৩৯টি আসনের ২৮টিতেই বিএনপি জয়ী

চাঁদাবাজদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে: মিজানুর রহমান মিনু